ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সম্প্রতি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংসহ বিভিন্ন এলাকায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরায় এআই প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে, যা 'এআই বেসড রোড ট্রান্সপোর্ট অ্যাক্ট ২০১৮ ভায়োলেশন ডিটেকশন সফটওয়্যার' নামে পরিচিত। এই ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং বাম লেন ব্লক করার মতো অপরাধ শনাক্ত করে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু করা হচ্ছে।
নোটিশ প্রক্রিয়া ও জরিমানা
গাড়ির মালিক ও চালকদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিশ পৌঁছে যাচ্ছে। নোটিশ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ডিএমপি সদর দফতর বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন। তবে অনেকেই জরিমানা পরিশোধ করছেন না।
গ্রেফতারি পরোয়ানার সতর্কতা
রবিবার (৩ মে) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, যারা নোটিশ পাওয়ার পরও জরিমানা পরিশোধ করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে। এই পরোয়ানা বাস্তবায়নের জন্য ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতারণা থেকে সতর্কতা
ডিএমপি আরও জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধের নামে কোনো আর্থিক লেনদেন বা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র যদি ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নামে অর্থ পরিশোধের বার্তা দেয় বা প্রতারণার চেষ্টা করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ডিএমপি এই বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।



