৭০ বছর বয়সে ইউটিউবে ১০ হাজার সাবস্ক্রাইবার পেলেন 'ইনস্টা আংকেল' বিনোদ কুমার শর্মা
ভারতের উত্তরপ্রদেশের ৭০ বছর বয়সী ভ্লগার বিনোদ কুমার শর্মা, যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় 'ইনস্টা আংকেল' নামে পরিচিত, সম্প্রতি ইউটিউবে ১০,০০০ সাবস্ক্রাইবার পূর্ণ করার আনন্দ উদযাপন করে নতুন করে ভাইরাল হয়েছেন। এই মাইলফলক অর্জনের মুহূর্তটি তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করে দর্শকদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
১০ হাজার সাবস্ক্রাইবারের আনন্দ উদযাপন
১০ হাজার সাবস্ক্রাইবার পূর্ণ হওয়ার মুহূর্ত উদযাপন করার জন্য বিনোদ কুমার শর্মা একটি বিশেষ ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি লাইভ সাবস্ক্রাইবার কাউন্ট ৯,৯৯৯ থেকে ১০,০০০-এ ওঠার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। রুমটি সাজানো ছিল বেলুন ও স্ট্রিমার দিয়ে, আর শর্মা দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “আমার পরিবার অনেক বড় হয়ে গেছে; ১০,০০০ মানুষও একটি সাধারণ মানুষের গল্প শুনতে শুরু করেছে ইউটিউবে। ২০ জানুয়ারি ২০২৬, আমি প্রথমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পা রেখেছিলাম। আজ ইউটিউবে ১০কে এবং ইনস্টাগ্রামে ১,০৭,০০০ মানুষ এই যাত্রার অংশ হয়ে গেছে। অন্তরের গভীরতা থেকে ধন্যবাদ।”
দর্শকদের প্রশংসা ও সমর্থন
দর্শকরা শর্মার এই বয়সে কনটেন্ট ক্রিয়েশনের প্রতি নিষ্ঠা এবং উদ্যমকে প্রশংসা করেছেন। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আপনার ফলোয়ার আরও বাড়ুক, সুস্থ, সুখী ও আরামদায়ক জীবন কাটুক। আরও শক্তি ও শুভকামনা।”
ইউটিউব ক্রিয়েটরস ইন্ডিয়ার অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টও মন্তব্য করেছে, “প্রমাণ যে সৃষ্টির জন্য বয়স কোনো বাধা নয়—শুভ ১০কে, অঙ্কলজি! এই যাত্রা এখনও শুরু হয়েছে।”
শর্মার ভ্লগিং যাত্রার শুরু
এ বছরের ২০ জানুয়ারি বিনোদ কুমার শর্মা সোশ্যাল মিডিয়া যাত্রা শুরু করেছিলেন প্রথম ভ্লগ দিয়ে। ভিডিওতে তিনি নিজেকে পরিচয় করান, “৭০ বছরের বয়সে প্রথম ভ্লগ বানাচ্ছি।” তিনি জানান, অবসর সময়ে ব্যস্ত ও সক্রিয় থাকতে নতুন কিছু চেষ্টা করছেন, যদিও তার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই।
ইউটিউব সাফল্যের পাশাপাশি শর্মার ইনস্টাগ্রামে ১,৩০,০০০ অনুসারী রয়েছে। ব্যবহারকারীরা তার স্বাভাবিকতা এবং খোলামেলা আচরণ পছন্দ করেন। তার ভ্লগকে অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হিসেবে দেখেন অনেকেই, যা প্রমাণ করে যে বয়স কোনো সীমাবদ্ধতা নয় যখন সৃজনশীলতা ও উদ্যম থাকে।
বিনোদ কুমার শর্মার এই যাত্রা শুধু একটি ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং এটি সকল বয়সের মানুষের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। তার কাহিনী দেখিয়ে দিচ্ছে যে জীবনযাত্রায় নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ এবং প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা যেকোনো বয়সেই সম্ভব।
