ভাইরাল সিদ্দিকের দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল
ভাইরাল সিদ্দিকের দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় লাল রঙের দানবাক্স দেখা যায়, যার মধ্যে নানা নাম লেখা থাকে। তবে এসব দানবাক্স কে বা কারা স্থাপন করেছে, তার সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন। সম্প্রতি, এই দানবাক্স নিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে, যার সাথে জড়িত আছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সিদ্দিক নামে এক ব্যক্তি।

দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

রাস্তার পাশে রাখা একটি দানবাক্স থেকে টাকা নেওয়ার সময় ভাইরাল সিদ্দিক ধরা পড়েছেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ওই দানবাক্সে 'নিউ মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন'-এর মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহখানার নাম উল্লেখ ছিল।

ভাইরাল সিদ্দিকের বক্তব্য

দানবাক্সটিতে থাকা মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ফোনটি ধরেন ভাইরাল সিদ্দিক। তিনি জানান, ভিডিওটি ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিলের এবং এটি মোহাম্মদপুরের আদাবরে ধারণ করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, তাকে হেয় করার জন্যই বর্তমানে ভিডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিদ্দিক বলেন, 'নিউ মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমি। ২০০৮ সালে এই সংগঠনটি গঠন ও নিবন্ধন করা হয়। ঢাকা শহরে তাদের ১৫ থেকে ১৬টি দানবাক্স রয়েছে। এসব দানবাক্সের অর্থ সংগ্রহ ও পরিচালনার দায়িত্ব আমার প্রতিষ্ঠানের। এই অর্থ নওমুসলিমদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়।'

প্রশ্নের জবাব দিতে ব্যর্থ

আপনাদের মাদ্রাসা বা লিল্লাহখানা কোথায় এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি সিদ্দিক। তিনি বলেন, 'আমাদের নিজস্ব কোনো মাদ্রাসা নেই। আমরা নওমুসলিমদের সহায়তা করে থাকি। আদাবরের ওই ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করা হয়েছিল। তবে, কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি।'

উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময়ে নানা বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসেন 'ভাইরাল সিদ্দিক'। অতীতে একাধিকবার তিনি হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ