রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ ৩০টি মোড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা বসানোর পর ট্রাফিক আইনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এ ব্যবস্থায় চালকেরা সিগন্যাল মানতে বাধ্য হচ্ছেন, ফলে ট্রাফিক পুলিশের ছোটাছুটি কমেছে।
এআই ক্যামেরার কার্যপ্রণালী
এআই ক্যামেরা সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দিচ্ছে। এই মামলা ডিজিটাল উপায়ে যানবাহনের মালিকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। ফলে আইন ভঙ্গের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
চ্যালেঞ্জ ও সমাধান
তবে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অস্পষ্ট নম্বর প্লেটযুক্ত যানবাহনকে নিয়ন্ত্রণে আনা এখনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। ডিএমপির ট্রাফিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে আরও উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োজন। এছাড়া, কিছু চালক ক্যামেরা এড়াতে নম্বর প্লেট ঢেকে রাখছেন, যা শনাক্ত করা কঠিন।
সামগ্রিক প্রভাব
এআই ক্যামেরা বসানোর পর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের হার কমেছে এবং সড়কে শৃঙ্খলা বেড়েছে। পুলিশের কাজের চাপও কমেছে, কারণ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বেশিরভাগ কাজ নিজেই করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি আরও সম্প্রসারণ করা গেলে ঢাকার যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



