হাইকোর্ট মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। আদালত আগামী ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়েছেন।
আদালতের নির্দেশনা
বাংলাদেশ হাইকোর্ট মোবাইল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনা শিক্ষার্থীদের অনলাইন পরীক্ষা ও সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আদালত সরকারকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
এই নির্দেশনার ফলে শিক্ষার্থীদের অনলাইন পরীক্ষা ও পড়াশোনা ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে অনলাইন শিক্ষার ওপর নির্ভরশীল শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সাধারণ মানুষও মোবাইল ব্যাংকিং, যোগাযোগ ও বিনোদনের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন না।
এ বিষয়ে আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেছেন, এই নির্দেশনা নাগরিকদের তথ্য অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পরবর্তী পদক্ষেপ
আদালত আগামী ৭ দিনের মধ্যে সরকারের প্রতিবেদন চেয়েছেন। এরপর পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই নির্দেশনার প্রতিবাদে সামাজিক মাধ্যমে ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন। তারা দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন।



