সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণ
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণ

দেশের বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে জনসেবার মান উন্নয়ন ও ডিজিটাল সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু করছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১৫ মার্চ) দিনাজপুর সফর শেষে রাতে ঢাকায় ফেরার পথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে তিনি এই সেবার উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের বক্তব্য

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে কিউআর কোড স্ক্যান করে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় দেশের সব বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ধাপে ধাপে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালু করা হবে। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল স্থানে ‘বিনামূল্যে পাবলিক ইন্টারনেট’ চালু করছেন। এর আওতায় রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে জনগণ বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

ইতিমধ্যে চালু হওয়া সেবাসমূহ

এরই মধ্যে কক্সবাজার ও রাজশাহী বিমানবন্দর এবং ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন ও কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে এই সেবা চালু করা হয়েছে। প্রেস সচিব আরও জানান, এই সেবা চালুর ফলে জনগণ সহজেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান, অনলাইন যোগাযোগ ও ভ্রমণসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন। সরকারের ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী এই প্রযুক্তি সুবিধা ধাপে ধাপে বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান প্রেস সচিব।

ডিজিটাল বাংলাদেশের দিকে আরেক ধাপ

এই উদ্যোগটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা চালু হওয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ভ্রমণকারীরা, বিমানবন্দর ও রেলস্টেশনে বসে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এটি শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি সংখ্যক জনবহুল স্থানে এই সেবা সম্প্রসারিত হবে, যা দেশের ডিজিটাল অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।