সেনা কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা চক্রের তৎপরতা, আইএসপিআরের সতর্কতা
সেনা কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা চক্র, আইএসপিআরের সতর্কতা

সেনা কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা চক্রের তৎপরতা, আইএসপিআরের সতর্কতা

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) একটি প্রতারক চক্রের তৎপরতা সম্পর্কে সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটির মতে, এই চক্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ জনগণকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতারণা চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার আইএসপিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতারণার পদ্ধতি ও সতর্কতা

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই প্রতারক চক্র ইদানীং সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ইউনিফর্ম পরা সেনা কর্মকর্তাদের ছবি সংগ্রহ করে হোয়াটসঅ্যাপের প্রোফাইলে ব্যবহার করছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বা লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে তারা বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে তাদের অপকর্ম চালাচ্ছে।

আইএসপিআর স্পষ্ট করে বলেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বা কোনো গোয়েন্দা সংস্থা কখনোই ব্যক্তিগতভাবে এ ধরনের যোগাযোগ করে না। যদি কোনো ব্যক্তি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন বা বার্তার মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অথবা অসদুপায়ে সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য জনগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিকার ও চলমান পদক্ষেপ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আইএসপিআর সবাইকে এ ধরনের প্রতারণামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

প্রতারণার শিকার হলে বা সন্দেহ হলে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সেনাবাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থা ব্যক্তিগত যোগাযোগে ভয়ভীতি দেখায় না।
  • ভুয়া পরিচয়ধারীদের মোবাইল নম্বর ও তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান।
  • অনাকাঙ্ক্ষিত ফোনকল বা বার্তায় সতর্কতা অবলম্বন করুন।

এই ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে সাইবার অপরাধের একটি উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে। আইএসপিআরের এই সতর্কতা জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।