আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের হ্যাক হওয়া ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট উদ্ধার
ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানের হ্যাক হওয়া ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যানের হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট উদ্ধার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের হ্যাক হওয়া ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট সফলভাবে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বুধবার এই অগ্রগতি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধার করা হয়েছে।

হ্যাকিংয়ের ঘটনা ও উদ্বেগ

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে জোহা উল্লেখ করেন। গত ১৮ মার্চ বিচারপতি মজুমদারের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার পর থেকে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল যে, অপরাধীরা অ্যাকাউন্টগুলো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করতে পারে। এই উদ্বেগের প্রেক্ষিতে ২৪ মার্চ শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, হ্যাকাররা চেয়ারম্যানের অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার লাভ করে এবং সম্ভাব্য অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি হয়। এই ঘটনায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কেও একটি চিঠি পাঠানো হয়, যাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাইবার নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগ

এই ঘটনা বাংলাদেশের বিচার বিভাগের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকির দিকে আলোকপাত করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ডিজিটাল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিটিআরসি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা এই ধরনের হ্যাকিং প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তানভীর হাসান জোহা বলেন, "আমরা চেয়ারম্যানের অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি, কিন্তু তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হ্যাকারদের শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ চলছে।" তিনি আরও যোগ করেন যে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধ করতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সুরক্ষা জোরদার করা প্রয়োজন।

এই ঘটনা সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার সক্ষমতা পরীক্ষা করে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।