ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি: বিনিয়োগকারীদের আংশিক সক্রিয়তা
ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি

ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি: বিনিয়োগকারীদের আংশিক সক্রিয়তা

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২০ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতন হলেও লেনদেনে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কিছুটা বাড়ায় মোট লেনদেন আগের দিনের তুলনায় সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজারে আংশিক সক্রিয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

লেনদেন ও সূচকের অবস্থা

দিন শেষে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮২৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৮১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫.০৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,২৩২.৮৩ পয়েন্টে, যা শতাংশ হিসেবে ০.২৮% নিম্নগতি নির্দেশ করে। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ২.৫১ পয়েন্ট কমে ১,০৫৯.৬৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। অপরদিকে, শীর্ষ ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএস৩০ সূচক ১০.৩০ পয়েন্ট কমে ১,৯৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

কোম্পানির শেয়ারদরের পরিবর্তন

দিন শেষে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির লেনদেনের মধ্যে ১২০টির শেয়ারদর বেড়েছে, ২০৭টির কমেছে এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে বোঝা যায়, বাজারে বিক্রির চাপই ছিল তুলনামূলক বেশি। মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে নাহি অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ারদর ১০% বেড়ে ২৪.২০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এভিন্স টেক্সটাইলস, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাপেক্স স্পিনিং ও বিডি অটোকারের শেয়ারদর যথাক্রমে ৯.৯০%, ৮.৬৩%, ৮.৪২% ও ৮.২২% বৃদ্ধি পেয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মূল্যহ্রাসের শীর্ষে কোম্পানিগুলো

অন্যদিকে, দরপতনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে হামিদ ফেব্রিকস, যার শেয়ারদর কমেছে ৭.৭৩%। ফারইস্ট ফিন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ও প্রিমিয়ার লিজিং— এই তিন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরই কমেছে ৭.১৪% করে। পিএলএফএসএলের শেয়ারদর কমেছে ৬.৪৫%।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাজার বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সূচকের পতন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাজারে এখনও আস্থার ঘাটতি রয়েছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়া বিনিয়োগকারীদের আংশিক সক্রিয়তার প্রতিফলন। আগামী কার্যদিবসগুলোতে বাজারের গতি নির্ভর করবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্থিতিশীল নীতিমালা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত হলে বাজার পুনরুদ্ধার হতে পারে।