সেনাপ্রধান মালয়েশিয়ায়, ডিএসএ-নাটসেক এশিয়া প্রদর্শনী পরিদর্শন ও পুত্রাজায়া ফোরামে অংশ নেবেন
সেনাপ্রধান মালয়েশিয়ায়, ডিএসএ প্রদর্শনী পরিদর্শন

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের মালয়েশিয়া সফর

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রবিবার মালয়েশিয়ায় একটি চার দিনের আনুষ্ঠানিক সফরে পৌঁছেছেন। ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এই সফরের অংশ হিসেবে তিনি প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

ডিএসএ ও নাটসেক এশিয়া ২০২৬ প্রদর্শনী পরিদর্শন

সোমবার, তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্ব করে কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ডিফেন্স সার্ভিসেস এশিয়া (ডিএসএ) এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি এশিয়া (নাটসেক এশিয়া) ২০২৬ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন। এই প্রদর্শনীটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম প্রতিরক্ষা মেলাগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রদর্শনীতে আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা ও সামরিক সরঞ্জামের বিস্তৃত পরিসর প্রদর্শিত হচ্ছে। এটি বিশ্বজুড়ে প্রতিরক্ষা খাতের সর্বশেষ উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি উপস্থাপনের একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুত্রাজায়া ফোরামে অংশগ্রহণ

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ২১ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য অষ্টম পুত্রাজায়া ফোরামে অংশ নেওয়ারও নির্ধারিত রয়েছেন। এই ফোরামে উদীয়মান প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও আসিয়ান অঞ্চলের স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

এছাড়াও, সমন্বিত ও সহযোগিতামূলক নীতি ও কৌশল নিয়েও ফোরামে বিস্তারিত বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হবে। ফোরামটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও সহযোগিতা জোরদার

সফরকালে, সেনাপ্রধান সংশ্লিষ্ট মালয়েশিয় প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করারও কথা রয়েছে। এই বৈঠকগুলোর মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইএসপিআর উল্লেখ করেছে যে, এই সফরটি আঞ্চলিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। এটি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বন্ধনকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেনাবাহিনী প্রধানের এই সফরটি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নীতির সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের দিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।