বেপজার ৪৫ বছর: রফতানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে শক্তিশালী অবস্থান
বেপজার ৪৫ বছর: রফতানি ও বিনিয়োগে শক্তিশালী অবস্থান

বেপজার ৪৫ বছর: রফতানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে শক্তিশালী অবস্থান

দেশের রফতানি খাতের সম্প্রসারণ, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। সরকারি এই বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা প্রতিষ্ঠার ৪৫ বছরে রফতানি প্রবৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন, কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

চট্টগ্রাম থেকে দেশব্যাপী সম্প্রসারণ

সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেপজার নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার পারভেজ বলেন, চট্টগ্রাম রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল দিয়ে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে বেপজা আজ একটি সফল ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও পরিকল্পিত শিল্পায়নের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮০ সালে আইন প্রণয়ন এবং ১৯৮১ সালের ১৫ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বেপজার কার্যক্রম শুরু হয়।

৪৫ বছরের সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

আগামী ১৫ এপ্রিল দেশের রফতানিমুখী শিল্পায়নের অগ্রদূত ও শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে বেপজা ৪৫ বছর পূর্ণ করে ৪৬তম বছরে পদার্পণ করবে। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ এই পথচলায় দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালীকরণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বেপজার সাফল্যের মূল দিকগুলো হলো:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • রফতানি খাতের সম্প্রসারণ: দেশের রফতানি আয় বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা।
  • বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা।
  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।
  • পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন: টেকসই ও পরিবেশসম্মত শিল্প উন্নয়নে নেতৃত্ব দেওয়া।
  • মানবসম্পদ উন্নয়ন: দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।

বেপজার নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার পারভেজ বলেন, "আমরা শুধু রফতানি প্রবৃদ্ধিতেই নয়, বরং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।" প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অব্যাহতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।