বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ২২ ক্যারেট ভরিতে ৪৪৩২ টাকা কমেছে
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তারা স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়েছে। এই সমন্বিত দাম অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হবে।
নতুন দাম নির্ধারণের কারণ
বাজুস সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন বয়ে আনছে।
বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দাম
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এছাড়া, অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নিম্নরূপ:
- ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে: ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ টাকা
- ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে: ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৮ টাকা
- সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে: ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮৬ টাকা
পূর্ববর্তী দাম ও বর্তমান পতন
এর আগে, বুধবার স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বেড়েছিল। তবে এবার স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা দিয়েছে, যা বাজারে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করেছে। বাজুসের এই সিদ্ধান্ত ভূরাজনৈতিক প্রভাবের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দাম কার্যকর ও ভ্যাট সংগ্রহ
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে, ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে, যা স্বর্ণ ক্রয়ের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
এই দাম হ্রাস বাজারে স্বর্ণের চাহিদা ও সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে স্বর্ণের দামে আরও ওঠানামা দেখা যেতে পারে, যা বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে।



