টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা প্লাবনের কারণে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে গেলেও বর্তমানে তা বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচে নেমে গেছে। দলিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে শুক্রবার বিকেল ৩টায় পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫১.৯৯ মিটার, যা বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটার থেকে ১৬ সেন্টিমিটার কম।
পানি স্তরের ওঠানামা
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় একই পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল, যা ছিল ৫২.১৬ মিটার। তবে শুক্রবার সকাল ৯টায় পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে এবং দুপুর ১২টায় তা আরও কমে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছে। বিকেল ৩টা পর্যন্ত এই স্তর অপরিবর্তিত ছিল।
নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতি
হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধির ফলে কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছিল। তবে পানি কমে যাওয়ায় সেইসব এলাকা থেকে বন্যার পানি নিষ্কাশিত হয়েছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বর্তমানে কোনো তাৎক্ষণিক বন্যার আশঙ্কা নেই।
তেপুখারীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করলেও নদীর পানি কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তার ইউনিয়নে কোনো পরিবার পানিবন্দি হয়নি।
পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পানি স্তর কিছুটা বেড়েছিল, কিন্তু শুক্রবার সকাল থেকে তা কমতে শুরু করে। দুপুরের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং কোনো পরিবার পানিবন্দি ছিল না।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দলিয়া কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, শুক্রবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুর ১২টায় তা ১৬ সেন্টিমিটার নিচে নেমে আসে এবং বিকেল ৩টা পর্যন্ত একই স্তরে ছিল।



