মাঠজুড়ে সোনালি আঁশের হাতছানি, ন্যায্যমূল্যের অপেক্ষায় কৃষক
সোনালি আঁশের হাতছানি, ন্যায্যমূল্যের অপেক্ষায় কৃষক

দেশজুড়ে এখন পাট কাটার মৌসুম। মাঠজুড়ে সোনালি আঁশের হাতছানি। কিন্তু ন্যায্যমূল্যের অপেক্ষায় দিন কাটছে কৃষকদের।

পাট চাষের বর্তমান অবস্থা

চলতি মৌসুমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। তবে কৃষকরা উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম না পেয়ে হতাশ।

কুষ্টিয়ার পাটচাষী আব্দুল মজিদ জানান, ‘গতবার পাট বিক্রি করে লাভ হয়নি। এবার দাম ভালো পাবো বলে আশা করেছিলাম, কিন্তু বাজারে এখনো দরপতন চলছে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সরকারি উদ্যোগ ও বাস্তবতা

সরকার পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছে। পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা কৃষকদের সহায়তায় পাট ক্রয় কেন্দ্র চালু করেছি। তবে মধ্যস্বত্বভোগীরা বাজার অস্থিতিশীল করছে।’

এদিকে পাটকল মালিকরা বলছেন, চাহিদা কম থাকায় দাম বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ পাটকল মালিক সমিতির সভাপতি মো. শামসুল আলম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের দাম কম। তাই আমরা বেশি দামে পাট কিনতে পারছি না।’

কৃষকের প্রত্যাশা

কৃষকরা চান সরাসরি সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা জোরদার করা হোক। তারা পাট সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত গুদাম ও ঋণ সুবিধা চান। সিরাজগঞ্জের কৃষক মো. জামাল হোসেন বলেন, ‘যদি সরকার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে, তাহলে আমরা পাট চাষে আগ্রহী হবো।’

পাট শিল্পের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ