বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। পাহাড়ের পাদদেশে, ভাঁজে ভাঁজে এবং খাড়া ঢালে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গড়ে উঠছে অসংখ্য বসতঘর। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পাহাড় বলতে কিছু নেই; ওপর থেকে দেখা যায় শুধু ঘর আর ঘর।
পাহাড় কেটে বসতি
সবুজ পাহাড় কেটে বসতি গড়ার এই প্রবণতা থেমে নেই। পাহাড় কেটে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ঘর। খাড়া পাহাড়ের নিচে ঝুঁকিপূর্ণ বসতঘর গড়ে তোলা হচ্ছে, যা যেকোনো সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। পাহাড় নাকি জনপদ—বোঝা যায় না।
পরিবেশের ওপর প্রভাব
পাহাড় কেটে বসতি স্থাপনের ফলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ভূমিক্ষয়, পানি সংকট এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাসের মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
- পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।
- বনাঞ্চল কমে যাচ্ছে।
- স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাহাড় কাটা বন্ধ করতে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা এবং বিকল্প বসতি স্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি।
- পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ।
- ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন।
- পরিবেশবান্ধব বসতি গড়ে তোলার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি।
পাহাড়ের পাদদেশে এভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে বসতঘর, যা ভবিষ্যতে বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই এখনই সতর্ক না হলে পরিণতি ভয়াবহ হবে।



