পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন করা হবে। সোমবার (৪ মে) চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সেশন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
১৮০ দিনের কর্মসূচি ও খাল পুনঃখনন
মন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির মধ্যে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। খাল পুনঃখননের সময় অবৈধ স্থাপনা ও দখলমুক্ত করা হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খাল খনন কর্মসূচি বন্ধ ছিল, কিন্তু এখন নতুন করে এটি শুরু হয়েছে।
নদী ভাঙন ও দখল নিয়ে আলোচনা
নদী ভাঙন, দখল ও দূষণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। জরুরি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে এবং কোন খাল সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাবে, তা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের ওপর জোর দেন এবং সততার সঙ্গে কাজ সম্পাদনের আহ্বান জানান।
খালের গতি ও স্থায়ী স্থাপনা
খালের প্রবাহ বন্ধ করে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, খালের গতি ও ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করা হবে। যদি কোনো দোকান বা স্থাপনা খালের পথে বাধা সৃষ্টি করে, তবে সেগুলো ভেঙে ফেলা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, খাল জনগণের সম্পদ এবং সরকারের মালিকানা; অবৈধ দখলদারদের সরিয়ে দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ
মন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন সফল হওয়ার মাধ্যমে আগামী দিনে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা সক্ষম হবো। তিনি শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে একটি বিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তারেক রহমান সেই ধারা নতুনভাবে শুরু করেছেন।



