জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, ধান চাল ক্রয়ে কোনো লটারি প্রথা থাকবে না। কৃষকরা যত ইচ্ছা ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারবেন। নেত্রকোনাসহ কয়েকটি জেলায় অতিবৃষ্টিতে হাওড়ের ধান নষ্ট হয়েছে। এজন্য নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রোববার থেকে ধান কেনা শুরু করা হয়েছে।
কৃষকদের সরাসরি ধান বিক্রির সুযোগ
প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাওড়পাড়ের কৃষকরা সরাসরি যত ইচ্ছা ধান গুদামে দিতে পারবেন। তাদের ধান বিক্রির টাকা ব্যাংকে চলে যাবে। এতে কোনো সিন্ডিকেট থাকবে না, কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীরা ভাগ বসাতে পারবে না।
উদ্বোধন ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
রোববার (৩ মে) নেত্রকোনা জেলা পাবলিক হল মিলনায়তনে ধান চাল ক্রয় কার্যক্রম কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৫ আসনের এমপি মাছুম মোস্তাফা, জেলা পরিষদ প্রশাসক নুরুজ্জামান নুরু, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. আরিফুল ইসলাম সর্দার, পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোয়েতাছেমুর রহমানসহ কর্মকর্তারা।
ক্ষয়ক্ষতি ও সরকারের পদক্ষেপ
স্থানীয় কৃষি বিভাগ ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, 'ক্ষয়ক্ষতির চিত্র যাতে আসে আমি সেজন্য আমি কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।' প্রধানমন্ত্রী মাত্র আড়াই মাসে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছেন প্রত্যেকটি পদক্ষেপই গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করা এবং মানুষের প্রয়োজন সহজে মেটানোর লক্ষ্যে। নিম্নআয়ের মানুষ যাতে সহজে সংসারের খরচ মেটাতে পারেন, সন্তানদের পড়াশোনা করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে। কৃষক যাতে ধানের প্রকৃত মূল্য পায় সেটাই সরকারের কনসার্ন।



