মৌলভীবাজার শহরের কাশীনাথ আলাউদ্দিন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কোরবানির পশুর হাটে বুধবার টানা বৃষ্টির কারণে ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম ছিল। বৃষ্টি ও কাদাপানির মধ্যেই শেষ মুহূর্তের ক্রেতারা পশু কিনতে ছুটছেন।
বেচাকেনায় বৃষ্টির বাধা
ঈদের আগের দিন টানা বৃষ্টিতে হাটের মাঠ কাদাপানিতে থকথকে হয়ে গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতার সংখ্যা অনেক কম। যাঁরা আসছেন, তাঁরা ছোট গরু কিনতে আগ্রহী। ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
বিক্রেতাদের দুশ্চিন্তা
গরু বিক্রেতা মো. ইয়ারূপ বলেন, 'বৃষ্টির জন্য বাজার ধ্বংস। দুই-তিন দিন ধরি বৃষ্টি থামছে না। এখন একটু থামছে।' তিনি পাঁচটি গরু এনেছিলেন, একটি মাত্র ১ লাখ ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। বাকি চারটি এখনো অবিক্রীত।
রাজনগর উপজেলা থেকে আসা রাসেল মিয়া ছয়টি গরু এনেও একটি বিক্রি করতে পারেননি। তিনি বলেন, 'আট মাস আগে যে দামে কিনছি, ক্রেতারা সেই দামও দিচ্ছে না। মানুষের অভাব বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে টাকা কম আসছে, হাওরে ফসল ডুবেছে।'
ক্রেতাদের অবস্থা
বিক্রেতারা জানান, যাঁরা অন্যান্য বছর দুই-তিনটি গরু কোরবানি দিতেন, এবার তাঁরা একটির বেশি দিচ্ছেন না। বৃষ্টি ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ক্রেতারা ছোট গরুর দিকে ঝুঁকছেন।
হাটটি শহরের একমাত্র কোরবানির পশুর হাট। ঈদের আগে শেষ রাত পর্যন্ত এখানে কেনাবেচা চলবে। তবে বৃষ্টি ও কাদাপানি ব্যবসায়ীদের জন্য চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।



