লিচু পাড়া নিয়ে বিরোধ, বাগান মালিককে পিটিয়ে হত্যা
লিচু পাড়া নিয়ে বিরোধ, বাগান মালিক নিহত

লিচু পাড়া নিয়ে বিরোধ, বাগান মালিককে পিটিয়ে হত্যা

ফরিদপুরের সালথায় লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বুধবার সন্ধ্যায় বাগান মালিক আজিজুল মোল্যাকে (৬২) পিটিয়ে মারাত্মক আহত করা হয়। উপজেলার বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ৯টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আজিজুল মোল্যা ফুলবাড়িয়া গ্রামের গুপিনগর পাড়ার মৃত মানো মোল্যার ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকালে বাগান থেকে লিচু পাড়ার সময় পার্শ্ববর্তী সোনাপুর ইউনিয়নের চরবাংরাইল গ্রামের মোশারফ মুন্সীর ছেলে সাকিল মুন্সী ও তুষার মুন্সীকে বাধা দেন বাগান মালিকের ছেলে আকরাম মোল্যা। এ সময় তারা আকরামকে মারধর করে। সন্ধ্যায় আজিজুল মোল্যা বাজারে গিয়ে ছেলেকে মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে তর্কের একপর্যায়ে তুষার ও সাকিলসহ তাদের পরিবারের লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারপিট করলে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধ আজিজুল।

হামলার খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে আজিজুলের নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলাকারীদের বাড়িতে হামলা ও বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করে। পাল্টা হামলায় নিহতের পক্ষের কয়েকজনের বাড়িতেও হামলা হয়। রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত চলে এ হামলা পাল্টা হামলায় অন্তত ১৫টি বসতঘর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় ১৩টি গরু লুট হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে ১১টি গরু উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লুট হওয়া বাকি গরু উদ্ধারে কাজ চলমান। তিনি জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মামলা হয়নি, তবে প্রস্তুতি চলছে। হামলাকারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ জানান, লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।