দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্ধ থাকা বস্ত্র ও পাটকলগুলোর অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত ভবন এবং যন্ত্রপাতি পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে সরকার। সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী।
বন্ধ কলকারখানা চালু ও কর্মসংস্থান
শিল্প খাতের উন্নয়নে মন্ত্রী জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি কাগজ, চিনি ও সার কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্ধ থাকা বস্ত্র ও পাটকলগুলোর অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত ভবন এবং যন্ত্রপাতি পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে সরকার।
বাজার ব্যবস্থাপনা ও টিসিবি
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে মাঠ পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “টিসিবির ব্যাপ্তি বাড়ানোর পাশাপাশি এর পণ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হচ্ছে। এছাড়া আমদানি নির্ভর পণ্যের জন্য সরকার একটি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা একটি সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবে।”
কোরবানির চামড়া সংরক্ষণ ও বিনামূল্যে লবণ
আসন্ন কোরবানি ঈদে জবাইকৃত পশুর চামড়া যেন নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শিল্পমন্ত্রী হিসেবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী বলেন, “চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য দেশের সব মসজিদ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করা হবে। এছাড়া চামড়ার গুণগত মান রক্ষায় ঈদ পরবর্তী সাত দিন কোনও ট্রাকে কাঁচা চামড়া বহন করা যাবে না।” এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।



