মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল মেরামতে দেশজুড়ে গ্যাসের চাপ কমেছে
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালের মধ্যে একটি টার্মিনালে আজ বুধবার সকাল থেকে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। এই টার্মিনালটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালনা করে। মেরামতের কারণে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় সারা দেশে গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
পেট্রোবাংলার বিজ্ঞপ্তিতে সতর্কতা
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ বেলা ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্প চাপ বিরাজ করতে পারে এবং অনেক এলাকায় রান্নার চুলা জ্বালাতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
গ্যাস সরবরাহে পূর্বের সংকটের স্মৃতি
প্রসঙ্গত, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল দুটির একটি পরিচালনা করে দেশীয় কোম্পানি সামিট এবং অন্যটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি। বর্তমানে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি একই টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হলে দেশে গ্যাসের চরম সংকট দেখা দিয়েছিল। ১৬ ফেব্রুয়ারি টার্মিনালটি পুনরায় চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় লেগেছিল।
এলএনজি আমদানি ও রূপান্তরের জন্য মহেশখালীর এই টার্মিনালগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মেরামতের সময় গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়, বিশেষ করে রান্নাবান্নার ক্ষেত্রে, অসুবিধা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পেট্রোবাংলা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কাজ শেষ করে স্বাভাবিক সরবরাহ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে বলে জানানো হয়েছে।
