টিটাস গ্যাসের এলাকায় তীব্র চাপ কমেছে, ২৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হবে
টিটাস গ্যাস এলাকায় তীব্র চাপ কমেছে, ২৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী

টিটাস গ্যাস এলাকায় তীব্র চাপ কমেছে, ২৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হবে

টিটাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির অধীনে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গ্যাস সরবরাহে তীব্র চাপ কমেছে। কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী, এই অবস্থা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলতে পারে। রবিবার এক বিবৃতিতে টিটাস জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহকারী একটি ফ্লোটিং টার্মিনাল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।

এলএনজি টার্মিনাল বন্ধের প্রভাব

একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে রিগ্যাসিফাইড এলএনজির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে টিটাসের সেবা প্রদানকারী এলাকাগুলোতে সরবরাহ চাপ তীব্রভাবে কমে গেছে। বিশেষ করে ঢাকা ও নিকটবর্তী জেলাগুলোর ভোক্তারা তীব্র নিম্ন গ্যাস চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন।

ভোক্তাদের জন্য সতর্কতা

টিটাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প ভোক্তারা ১৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত শেষ ব্যবহারকারী পর্যায়ে নিম্ন গ্যাস চাপ অনুভব করতে পারেন। এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কোম্পানি।

কোম্পানির প্রতিক্রিয়া

টিটাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি ভোক্তাদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অত্যন্ত জরুরি ছিল এবং এটি দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। ভোক্তাদের সহনশীলতা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে এই সময়ে।

এই পরিস্থিতিতে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ভোক্তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে টিটাস। বিশেষ করে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে সামঞ্জস্য করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আবাসিক ভোক্তাদেরও গ্যাস ব্যবহারে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে টিটাস কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে আরও উন্নত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে তারা।