গ্যাসফাইলের ছবিরক্ষণাবেক্ষণকাজের প্রেক্ষিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সরবরাহের ভাসমান টার্মিনালের একটি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এই টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি থেকে প্রাপ্ত গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর ফলে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির অধিভুক্ত এলাকাজুড়ে গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক স্বল্পচাপ দেখা দিয়েছে।
গ্রাহকদের জন্য সতর্কতা
আজ রোববার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, এই পরিস্থিতির কারণে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্পসহ সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের চাপ কম থাকবে। গ্যাসের স্বল্পচাপের এই পরিস্থিতি ১৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রভাব ও সম্ভাব্য বিঘ্ন
গ্যাসের স্বল্পচাপের কারণে রান্না ও শিল্পকারখানার উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় চুলা জ্বালাতে ভোগান্তির মুখে পড়ছেন অনেক গ্রাহক। এই সমস্যা সাময়িক হলেও দৈনন্দিন জীবনে উল্লেখযোগ্য অসুবিধা সৃষ্টি করছে।
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণকাজ শেষ হলে গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। তারা গ্রাহকদের ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।
এই ঘটনা জ্বালানি খাতের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোর প্রতি আলোকপাত করেছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। গ্যাস সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আরও উন্নত রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা প্রয়োজন হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।
