ফুয়েল পাসের আওতা বাড়ল: নতুন ১৯ জেলায় মোটরসাইকেল নিবন্ধন শুরু
ফুয়েল পাসের আওতা বাড়ল: ১৯ জেলায় মোটরসাইকেল নিবন্ধন

ফুয়েল পাসের আওতা বাড়ল: নতুন ১৯ জেলায় মোটরসাইকেল নিবন্ধন শুরু

দেশজুড়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আনতে চালু হওয়া ‘ফুয়েল পাস’ ব্যবস্থার আওতা আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবার নতুন করে ১৯টি জেলায় মোটরসাইকেলের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের ফেইসবুক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

নতুন যুক্ত হওয়া জেলার তালিকা

পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলাতেই এই সেবা চালু করা হবে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। নতুন যুক্ত হওয়া জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী
  • বগুড়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা
  • যশোর, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি, হবিগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার, দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম

ডিজিটাল ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, কিউআর কোডভিত্তিক এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি বিক্রি আরও স্বচ্ছ করা, নজরদারি বাড়ানো এবং অনিয়ম কমানোই মূল উদ্দেশ্য। এই পদক্ষেপ জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের কিছু সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যবহারকারীদের মতামত, অভিযোগ ও পরামর্শ নিতে একটি অফিসিয়াল ফেইসবুক গ্রুপেও যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এটি ব্যবস্থাটির কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া বিবেচনায় নেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

ফুয়েল পাসের যাত্রা শুরু

ঢাকায় ফুয়েল পাস কার্যক্রম শুরু হয় প্রথমে সীমিত পরিসরে গত ৯ এপ্রিল, রাজধানীর দুইটি পেট্রোল পাম্পে। এর মধ্যে ছিল তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন এবং আসাদ গেটের সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশন। পরবর্তীতে পাইলট কার্যক্রম ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হয় এবং ঢাকার আরও ১৮টি পাম্পকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফলে রাজধানীতে মোট ২০টি পেট্রোল পাম্পে পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল পাস কার্যক্রম চালু করা হয়। এই সফলতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এখন সারাদেশে এই ব্যবস্থা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিভঙ্গি: এই ডিজিটাল রূপান্তর শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং জ্বালানি খাতে একটি মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারে। এটি ভবিষ্যতে জ্বালানি ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করে তুলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।