দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ আবর্তনশীল তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন পরিবেশবাদী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে আগামী ১০ বছরের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের ওপর কর-শুল্ক কমিয়ে প্রতীকী ১ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি
শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর গ্রিন লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত “জ্বালানি নিরাপত্তায় নবায়নযোগ্য উৎস: চাই বাজেটের নীতিগত পরিবর্তন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, দেশে সৌর ও বায়ুশক্তির বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও উচ্চ কর, নীতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং অর্থায়নের সংকটের কারণে খাতটি প্রত্যাশিতভাবে এগোতে পারছে না। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির স্থাপিত সক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ৬৭৯ মেগাওয়াট।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
ক্লিনের প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে বাজেটে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, সৌর ও বায়ুশক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান উভয়ই উপকৃত হবে।
প্রস্তাবিত পদক্ষেপ
সংবাদ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন, আবাসিক সৌরবিদ্যুতে ভর্তুকি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।



