ইরান যুদ্ধ ঘিরে বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ‘স্পট মার্কেট’ থেকে তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছে সরকার, যার জন্য ব্যয় হবে চলতি মাসে অনুমোদিত তিন কার্গো এলএনজি আমদানির খরচ থেকেও বেশি। দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন থেকে দুই কার্গো এবং যুক্তরাজ্যের কোম্পানি টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন মিলেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায়।
ব্যয় ও সরবরাহ
এর জন্য ২৩৩০ কোটি ৮১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩২ টাকা খরচ হবে বলে শনিবার (২৩ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুন মাসে এই এলএনজি সরবরাহ করা হবে। এদিন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৩তম সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
পূর্বের অনুমোদন ও ব্যয় বৃদ্ধি
এর আগে গত ৭ মে ‘স্পট মার্কেট’ থেকে তিন কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয় কমিটির ২০তম সভায়। জুন মাসে সরবরাহযোগ্য এ কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে ভাইটল এশিয়া, বিপি সিঙ্গাপুর ও গানভর সিঙ্গাপুর থেকে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয় ২১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ২২২ টাকা। অর্থাৎ একই মাসে সমপরিমাণ এলএনজি আমদানিতে প্রায় ১৪৪ কোটি টাকা ব্যয় বাড়লো।
বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতি চলমান থাকার কারণে জ্বালানির দাম বাড়ায় এ খাতের অস্থিরতা সামাল দিতে বাংলাদেশকে আরও ৩৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক। এলএনজি আমদানির অর্থায়নে সহায়তার জন্য ১৫ মে বাড়তি এ অর্থ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাটি।
সার ক্রয়
শনিবার ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ৩০ হাজার টন ‘ব্যাগড গ্র্যানুলার’ ইউরিয়া সার এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি সার কেনারও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।



