বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ৬০ দিনের মধ্যে: বিইআরসি
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ৬০ দিনের মধ্যে

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি শেষ হলেও এখনই সিদ্ধান্ত আসবে কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) জানিয়েছে, প্রক্রিয়া শেষে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে যেকোনও দিন চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

বিইআরসির অবস্থান

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, আইন অনুযায়ী শুনানি শেষে কমিশনের হাতে ৬০ দিন সময় থাকে। এই সময়ের মধ্যে উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত, যুক্তি ও আপত্তি বিশ্লেষণ করে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই নির্ধারণ হবে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে কিনা এবং বাড়লেও তা কতটা হবে।

ঈদের আগে-পরে শঙ্কা

ঈদের সরকারি ছুটি হতে বাকি আছে আর দুদিন। এই দুই দিন বিইআরসি কাজ করবে এ নিয়ে। সে হিসেবে ঈদের আগে না হলেও ঈদের পরে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর একটা শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিইআরসি সংশ্লিষ্টরা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গণশুনানির প্রেক্ষাপট

প্রসঙ্গত, গত ২০ ও ২১ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি তাদের ব্যয় বৃদ্ধির যুক্তি তুলে ধরে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দেয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পক্ষে ব্যয় পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে।

কোম্পানিগুলোর যুক্তি

কোম্পানিগুলোর দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন এবং পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ খাতে চাপ তৈরি হয়েছে। এ কারণে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে দাম সমন্বয় ছাড়া বিকল্প নেই বলে তারা যুক্তি দেয়।

ভোক্তা সংগঠনের বিরোধিতা

তবে ভোক্তা সংগঠনগুলো এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জানায়, বিদ্যুতের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়বে এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ও বৃদ্ধি পাবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ