এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাজেট: সঠিক পথে কিন্তু বাস্তবায়নই মূল পরীক্ষা
এলডিসি উত্তরণে বাজেট: সঠিক পথে কিন্তু বাস্তবায়নই মূল পরীক্ষা

বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট কেবল একটি হিসাবের খাতা নয়। এটি একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের দলিল। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী যে বাজেট প্রস্তাব করেছেন, তা ভবিষ্যতের পথনির্দেশিকা হওয়ার দাবি রাখে। প্রশ্ন হলো, সেই দাবি পূরণের সক্ষমতা কি এই বাজেটে আছে?

এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ ও বাজেটের প্রতিক্রিয়া

এলডিসি থেকে উত্তরণের অর্থ হলো বাজারে প্রবেশের বিশেষ সুবিধা হারানো। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য বাজারে বাংলাদেশ যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে এসেছে, তা ক্রমে সংকুচিত হবে। পোশাক খাত, যা দেশের মোট রফতানির প্রায় ৮৫ শতাংশ, সেটি তখন সমতল মাঠে লড়তে বাধ্য হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিল্প কাঠামোর বৈচিত্র্য আনা জরুরি।

বাজেটে আটটি সম্ভাবনাময় রফতানিমুখী খাতে ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুবিধা দেওয়া হয়েছে। হালকা যন্ত্রপাতি, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস, কৃষিজাত পণ্য এবং স্বর্ণ ও হীরাপ্রস্তুতি এই আওতায় আসছে। পাশাপাশি মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো রড্রিক-সম্মত শিল্পনীতির লক্ষণ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিল্পনীতির রড্রিক-মডেল ও বাজেটের নির্দিষ্টতা

অর্থনীতিবিদ ড্যানি রড্রিক বারবার বলেছেন, সফল শিল্পনীতি তখনই কাজ করে যখন রাষ্ট্র সঠিক বাজার ব্যর্থতা চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সহায়তা দেয়। কিন্তু এই বাজেটে সেই নির্দিষ্টতা কতটুকু আছে? ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের হিট ম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে বলে বলা হয়েছে। বাংলাবিজ নামের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে। লাইসেন্স সাত দিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এগুলো প্রশংসনীয়, কিন্তু অতীতের মতোই যদি প্রতিশ্রুতি কাগজে থেকে যায়, তাহলে পরিণতি অনুমানযোগ্য।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎমুখী শুল্ক নীতি

বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০৩১ সাল পর্যন্ত শুল্ক-কর অব্যাহতির প্রস্তাব এসেছে। ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনে দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ সংক্রান্ত উপকরণ আমদানিতে ২০৩১ পর্যন্ত শূন্য শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব রয়েছে। এগুলো ভবিষ্যৎমুখী এবং দেখা যাচ্ছে যে নীতিনির্ধারকরা কেবল বর্তমানের সংকটে ডুবে নেই।

রাষ্ট্র-ব্যবসায়িক সংলাপের দুর্বলতা

তবে শুধু ট্যারিফ নীতি দিয়ে শিল্পনীতি সম্পন্ন হয় না। রড্রিকের মূল শিক্ষা হলো, শিল্পনীতির সাফল্যের জন্য রাষ্ট্র ও ব্যবসায়িক খাতের মধ্যে একটি কার্যকর সংলাপ থাকতে হয়। সেই সংলাপের জায়গা বাংলাদেশে এখনো দুর্বল। বিনিয়োগ সুরক্ষা আইন আছে, কিন্তু তার প্রয়োগে দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে। বিচারবিভাগীয় অনিশ্চয়তা আছে। নতুন পাটোয়াখালী ও রশোর ইপিজেড স্থাপনের কাজ চলমান, কিন্তু পুরনো ইপিজেডগুলোতে অবকাঠামোগত দুর্বলতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

ফার্মাসিউটিক্যালস ও এপিআই শিল্পে পদক্ষেপ

এপিআই শিল্পে ৫১টি নতুন কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শূন্য করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যালস খাতে ট্রিপস-পরবর্তী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে চাইলে এই পদক্ষেপ অপরিহার্য ছিল। এলডিসি উত্তরণের পর ওষুধ পেটেন্টের ছাড় আর থাকবে না। সে পরিস্থিতিতে দেশীয় কাঁচামাল উৎপাদনই একমাত্র রক্ষাকবচ। বাজেট সেই দিকে মনোযোগ দিয়েছে, যা স্বস্তির।

সৃজনশীল অর্থনীতি ও রফতানি বহুমুখীকরণ

রফতানি বহুমুখীকরণের আরেকটি জায়গা হলো সৃজনশীল অর্থনীতি। ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকার পূর্বাঞ্চলে ১৬০ একর জমিতে সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই হচ্ছে। এগুলো দূরদর্শী পদক্ষেপ। কিন্তু সৃজনশীল খাতে বিনিয়োগ ফলাফল পেতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই ধৈর্যের পরীক্ষাও হবে।

রেমিট্যান্স ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণ

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে রাশিয়া, পর্তুগাল, রোমানিয়া, ব্রাজিল সহ নতুন শ্রমবাজারের দরজা খোলার উদ্যোগ নিয়েছে। মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের বাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মার্চ ২০২৬-এ একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার। এটি আস্থার প্রতিফলন। তবে রেমিট্যান্স একটি অর্থনীতির ইঞ্জিন নয়, জ্বালানি মাত্র। ইঞ্জিন চালাতে হলে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ

রড্রিকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, সফল শিল্পনীতি কখনো একটি সুনির্দিষ্ট খাতের মধ্যে সীমিত থাকে না। এটি কর্মসংস্থান, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক মানের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকে। এই বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা জিডিপির ২ শতাংশ। স্বাস্থ্যে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকায় নেওয়া হয়েছে। এই বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে শিল্পনীতির সাফল্যের পূর্বশর্ত।

দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও ব্রেইন ড্রেইন

তবে সমস্যা হলো, এসআইসিআইপি-এর আওতায় প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার জনকে দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে, কিন্তু সেই দক্ষ জনশক্তিকে শোষণ করার মতো যথেষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান কি বাংলাদেশে আছে? দক্ষ কর্মী তৈরি হলেই যদি বিদেশে চলে যান, তাহলে বিনিয়োগের সুফল দেশে থাকবে না। ‘ব্রেইন ড্রেইন’ থেকে ‘ব্রেইন সার্কুলেশনে’ রূপান্তরের কথা বলা হয়েছে বাজেটে, কিন্তু সেটি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অস্পষ্ট।

বেসরকারি বিনিয়োগ ও উদ্দীপনা প্যাকেজ

একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির অনুপাতে এক দশকের সর্বনিম্নে নেমে ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশে এসেছে। বাজেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ-২০২৬’ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্ধ কলকারখানা চালুতে ২০ হাজার কোটি, কৃষিতে ১০ হাজার কোটি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে ৫ হাজার কোটি টাকা রাখা হয়েছে। কিন্তু বেসরকারি বিনিয়োগ প্রণোদনার মাধ্যমে বাড়ানো সম্ভব কিনা, তা নির্ভর করে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের গতির উপর।

বিআইএন বাধ্যতামূলককরণ: ডিফল্ট ইনক্লুশনের উদাহরণ

প্রস্তাবিত বাজেটে বিজনেস আইডিন্টেফিকেশন নাম্বার (বিআইএন) বাধ্যতামূলক করার নতুন উদ্যোগ এই প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বিধানে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে, ব্যাংক ও এনবিএফআই থেকে ঋণ নিতে, মোবাইল ব্যাংকিং মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে, ট্রেড লাইসেন্স নিতে, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ পেতে এবং বিআরটিএতে যানবাহন নিবন্ধন করতে বিআইএন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটির একটি সূক্ষ্ম কৌশলগত মাত্রা রয়েছে।

একজন ব্যবসায়ী যদি ট্রেড লাইসেন্স নিতে বাধ্য হন এবং তার জন্য বিআইএন প্রয়োজন হয়, তিনি স্বাভাবিকভাবেই ভ্যাট নেটে প্রবেশ করেন। আলাদাভাবে ভ্যাট নিবন্ধনের প্রয়োজন পড়ে না। এই বাধ্যতামূলক সংযোগ কর মেনে চলার প্রণোদনা গুণগতভাবে বদলে দেয়। এটি ‘ডিফল্ট ইনক্লুশন’-এর একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। মানুষকে সক্রিয়ভাবে কর ব্যবস্থায় যোগ দিতে হচ্ছে না—অন্যান্য কাজের সূত্রে তারা ব্যবস্থায় প্রবেশ করছেন।

ট্রান্সফার প্রাইসিং ও কর কৌশল

ট্রান্সফার প্রাইসিং বিধিমালার নতুন বাধ্যবাধকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিবর্তন। ৩ কোটি টাকার বেশি সংশ্লিষ্ট পক্ষের লেনদেনে ডকুমেন্টেশন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। অব্যাখ্যাত ক্রেডিটে ৫০ শতাংশ কর ও ১০ শতাংশ জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এই পরিমাণ স্বাভাবিক আয়কর হারের চেয়ে অনেক বেশি। একটি বহুজাতিক কোম্পানি কম করের দেশে মুনাফা স্থানান্তর করে বাংলাদেশে করের বোঝা কমাতে পারে। ট্রান্সফার প্রাইসিং বিধি এই কৌশলকে ব্যয়বহুল করে তোলে। ডকুমেন্টেশনের ঝামেলা ও ৬০ শতাংশ মোট দণ্ডের ভয় কৌশলগতভাবে মুনাফা-স্থানান্তরকে নিরুৎসাহিত করে। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে এনবিআরের দক্ষতা ও নিরীক্ষা সক্ষমতার ওপর।

স্টক ডিভিডেন্ড কর ও নগদ লভ্যাংশের প্রণোদনা

স্টক ডিভিডেন্ড করের বিধানটি কৌশলগত দৃষ্টিতে আকর্ষণীয়। তালিকাভুক্ত কোম্পানি যদি নগদ ডিভিডেন্ড না দিয়ে বোনাস শেয়ার ঘোষণা করে, তাহলে কোম্পানিকে ১০ শতাংশ কর দিতে হবে বলে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। আগে এই বিধান ছিল না। কোম্পানিগুলো করযোগ্য নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে বোনাস শেয়ার দিত। নতুন বিধান এই কৌশলটিকে আর লাভজনক রাখেনি। বিনিয়োগকারীরা নগদ ডিভিডেন্ড পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

ডিজিটাল পেমেন্টে কর ছাড়

ক্যাশলেস লেনদেনে ১০ শতাংশ কর ছাড় একটি সৃজনশীল নীতি। যেসব প্রতিষ্ঠান ১০০ শতাংশ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহার করে, তারা এই ছাড় পাবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছ। ডিজিটাল লেনদেনে স্বয়ংক্রিয় রেকর্ড তৈরি হয়। এই রেকর্ড কর কর্তৃপক্ষের অডিট কার্যক্রমকে সহজ করে। তথ্যের প্রাপ্যতা বাড়লে কর ফাঁকির সুযোগ কমে। তাই ডিজিটাল পেমেন্ট প্রমোট করার নিজস্ব রাজস্ব-যুক্তি আছে।

একক ব্যক্তিনির্ভর কোম্পানির কর হ্রাস

একক ব্যক্তিনির্ভর কোম্পানির কর হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি একটি লক্ষ্যভিত্তিক প্রণোদনা। বাংলাদেশে বহু ব্যবসা অনানুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত হয়। কর হ্রাস ওই ব্যবসায়ীদের ওপিসি গঠন করে আনুষ্ঠানিক হওয়ার উৎসাহ দেয়। আনুষ্ঠানিক কোম্পানি মানে আরও স্বচ্ছতা ও আরও রাজস্ব। একই সঙ্গে সিএসআর ব্যয়ের কর ছাড়ের সীমা ১০ শতাংশ থেকে দ্বিগুণ করে ২০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

উপসংহার: সঠিক পথে, কিন্তু বাস্তবায়নই চাবিকাঠি

রড্রিকের কাছ থেকে শিক্ষা হলো, বৈচিত্র্যায়ন শুধু নতুন খাত চালু করা নয়, বরং নতুন সক্ষমতা তৈরি করা। এই বাজেটে পটুয়াখালী ও যশোরে নতুন ইপিজেড, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, চাঁদপুর ও কুমিল্লায় নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কথা বলা হয়েছে। এই ভূগোলগত বিস্তার আঞ্চলিক বৈষম্য কমাতে পারে। তবে বিনিয়োগকারীরা কি আসবেন, তা নির্ভর করে বিদ্যুৎ সরবরাহ, সড়ক যোগাযোগ এবং আইনি নিরাপত্তার ওপর।

সামগ্রিকভাবে, এই বাজেটে শিল্পনীতির অভিমুখ সঠিক। এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবায়নের ঐতিহাসিক দুর্বলতা দূর না হলে এই বাজেট কেবল সুন্দর প্রতিশ্রুতির সমাহার হয়ে থাকবে। রড্রিকের ভাষায়, সফল রাষ্ট্র শুধু পদক্ষেপ নেয় না, ফলাফল নিশ্চিত করে। সেটাই এই বাজেটের আসল পরীক্ষা।

লেখক: উন্নয়নকর্মী ও গবেষক