পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে প্রিয়জনের কাছে যেতে গ্রামের উদ্দেশে ছুটছেন রাজধানীর অনেক নগরবাসী। পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতেই তাদের এই ছুটে চলা। রোববার (২৪ মে) ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর উত্তরা-আবদুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ডের কাউন্টারগুলো ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তুলনামূলকভাবে এখানে যাত্রীর চাপ কম থাকায় স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরবেন অপেক্ষমাণ যাত্রীরা।
স্বস্তির ঈদযাত্রা
উত্তরার আবদুল্লাহপুরের ব্যবসায়ী মো. মাহামুদুর হাসান সবুজ বলেন, 'চাঁদ রাতে দোকানে বিক্রয় ভালো হবে বলে আমরা আশাবাদী। ওই রাতে দোকানপাট গুছিয়ে বাড়িতে চলে যাব।' আরেক যাত্রী জানান, 'একটু বিশ্রাম নিয়ে বরিশালের পথে রওনা দিতে কাউন্টারে চলে এসেছি। বিকাল ৪টায় গাড়ি ছাড়বে। সড়কে যানজট নেই, আশা করি নির্ধারিত সময়ে বাড়ি পৌঁছে যাব।'
কাউন্টার মাস্টারদের বক্তব্য
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে শ্যামলী পরিবহণের কাউন্টার মাস্টার নাঈম জানান, 'ঈদে যাত্রীদের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত কোনো টাকা গুনতে হয় না। সরকারি নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী আমরা টিকিট বিক্রি করছি। এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা রয়েছে, তাই বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কোনো বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না।'
হানিফ এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার মাস্টার শামিম বলেন, 'ঈদের আগেও কোনো সমস্যা ছিল না। আজও অন্যান্য দিনের মতোই যাত্রী আসছেন এবং নির্ধারিত দামে টিকিট নিচ্ছেন।'
যাত্রীদের অভিজ্ঞতা
যাত্রী ইকবাল হোসেন চৌধুরী জানান, 'গত বছর টিকিট কিনতে হয়েছিল বেশি দামে। আজ ৭০০ টাকা দিয়ে টিকিট কিনলাম। আশা করছি ঠিক সময়ে বাড়ি যাব। একটু স্বস্তিতে বাড়ি যাব। গিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে নামাজ আদায় করব এবং আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য পশু কুরবানি দিয়ে আবার নিজ কর্মস্থলে ফিরে আসব।'
বাস ছাড়াও ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল
পরিবারের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে শুধু বাস নয়, ব্যক্তিগত গাড়ি ও প্রচুর মোটরসাইকেল আরোহীকেও ঢাকা ছাড়তে দেখা গেছে। সব মিলিয়ে এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রীরা স্বস্তি ও নির্ধারিত ভাড়ার সুবিধা পাচ্ছেন বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।



