‘কান্ট্রি রোডস’ গানে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্ছ্বাস, বসনিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে
‘কান্ট্রি রোডস’ গানে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্ছ্বাস, শেষ ষোলোতে

সান্তা ক্লারার স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজতেই বেজে উঠল জন ডেনভারের বিখ্যাত গান ‘টেইক মি হোম, কান্ট্রি রোডস’। এই বিশ্বকাপে গানটি যেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বিজয়গাথার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ২-০ গোলে হারিয়ে শুধু শেষ ষোলোই নিশ্চিত করেনি স্বাগতিকরা, দলটি দেখিয়েছে কঠিন পরিস্থিতি সামলে জয়ের মানসিকতাও।

ম্যাচের বিবরণ

বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র ১০ জন নিয়ে দীর্ঘ সময় খেলতে বাধ্য হয়। তবুও তারা প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি। শেষ দিকে মালিক টিলম্যানের দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে জয় নিশ্চিত করে মার্কিন দল। এই জয়ের মাধ্যমে ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ জিতল যুক্তরাষ্ট্র।

গানের প্রতীকী অর্থ

ইংল্যান্ডের ম্যাচে যেমন ‘ওয়ান্ডারওয়াল’ নতুন করে দর্শকদের কণ্ঠে প্রাণ ফিরে পেয়েছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি জয়ের পর ‘কান্ট্রি রোডস’ এখন স্টেডিয়ামজুড়ে উদযাপনের সুর। এই গানটি যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল দলের জন্য একটি নতুন বিজয়গাথার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরবর্তী চ্যালেঞ্জ

মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি গ্যালারির উচ্ছ্বাসও এখন যুক্তরাষ্ট্রের বড় শক্তি। এই আত্মবিশ্বাস ও সমর্থকদের বিপুল উদ্দীপনা নিয়েই শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকরা। আগামী সোমবার সিয়াটলে রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সেই ম্যাচেও দর্শকদের এই সুর নিশ্চিতভাবেই শুনতে চাইবে যুক্তরাষ্ট্র।

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্রের এই জয় তাদের জন্য একটি মাইলফলক। ২০০২ সালের পর এই প্রথম তারা নকআউট পর্বে জিতল। বসনিয়ার বিপক্ষে এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ