২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এসে নার্ভি এক জয় পেয়েছে স্কটল্যান্ড। শনিবার বোস্টনের গিলেট স্টেডিয়ামে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। অ্যাস্টন ভিলার অধিনায়ক জন ম্যাকগিনের শট ডিফ্লেক্ট হয়ে জালে জড়ায় ২৮তম মিনিটে।
স্কটিশ সমর্থকদের উল্লাস
৬৪ হাজার ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে অধিকাংশই স্কটিশ সমর্থক। ১৯৯৮ সালের পর এটি স্কটল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ অভিযান। গ্রুপ সি-তে শীর্ষে উঠে এসেছে তারা। ১৯৯০ সালে ইতালিতে সুইডেনকে ২-১ হারানোর পর এটি বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয়। বড় কোনো টুর্নামেন্টে ১৯৯৬ সালের ইউরো-এর পর এটি প্রথম জয়।
নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন
স্টিভ ক্লার্কের দল ইতিহাস গড়তে চায়। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কখনো যায়নি তারা। শেষ মুহূর্তে হাইতির চাপ সামলে তারা জয় ধরে রাখে। গ্রুপ পর্বে সেরা আট তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পরবর্তী রাউন্ডে যাবে। হাইতি বিশ্বের ৮৪তম স্থানে থাকায় এই জয় গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
শুক্রবার একই স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে স্কটল্যান্ড। এরপর মিয়ামিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবে। অপর ম্যাচে মরক্কো ও ব্রাজিল ১-১ গোলে ড্র করে।
হাইতির সংগ্রাম
হাইতির বিশ্বকাপে আসা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প। দেশের অস্থিরতার কারণে ঘরের মাঠে বাছাই খেলতে পারেনি তারা। দলে রয়েছে জঁ-রিকনার বেলগার্দ ও উইলসন ইসিডোর মতো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়।
স্কটল্যান্ডের দলে ম্যাকগিন, অ্যান্ডি রবার্টসন ও স্কট ম্যাকটমিনের মতো তারকা রয়েছেন। ম্যাকটমিন এক পেটের সমস্যা কাটিয়ে খেলতে নামেন। ১৭তম মিনিটে বেন গ্যানন-ডোকের পাস থেকে তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ম্যাকগিনের গোল
২৮তম মিনিটে চে অ্যাডামস ডিফেন্স টেনে নিলে গ্যানন-ডোকের ক্রস ম্যাকগিনের কাছে আসে। তার শট বেলগার্দের পায়ে লেগে জালে জড়ায়। এরপর আর গোল করতে পারেনি স্কটল্যান্ড। শেষ দিকে হাইতি চাপ বাড়ায়। ফরাসি বংশোদ্ভূত রুবেন প্রোভিডেন্স উইংয়ে নিয়মিত হুমকি ছিল। ৮৫তম মিনিটে ফ্রান্তজডি পিয়েরোর হেডার পোস্টের বাইরে চলে যায়।
১৯৭৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপে হাইতি তিন ম্যাচেই হেরেছিল। এখন ফিলাডেলফিয়ায় ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে তারা।



