সেনেগালের মিডফিল্ডার পাপে গেয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েছেন। ইরাকের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে তার নেওয়া শটের গতি ছিল ঘণ্টায় ১৩১.৯৪ কিলোমিটার। ফিফার অফিসিয়াল বল ‘ট্রিওন্ডা’র ভেতরে থাকা ইনারশিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট (আইএমইউ) সেন্সর ও স্টেডিয়ামে স্থাপিত ১৬টি বিশেষ ক্যামেরার মাধ্যমে এই গতি নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা হয়েছে।
প্রযুক্তির ভূমিকা
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, ক্যামেরা ও সেন্সরের যৌথ বিশ্লেষণে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০ বার বল ও খেলোয়াড়দের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে ২৯ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ফিফা দাবি করে, বলের ভেতরে থাকা সেন্সরটি এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে যাতে বলের ভারসাম্য, ওজন বা স্বাভাবিক পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব না পড়ে। এই প্রযুক্তি আগেও ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ নারী বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হয়েছে।
শীর্ষ দশের তালিকা
পাপে গেয়ের গোলটি সুইজারল্যান্ডের ইয়োহান মানজাম্বিকে ছাড়িয়ে যায়, যার শটের গতি ছিল ঘণ্টায় ১২৮.৭৩ কিলোমিটার (কানাডার বিপক্ষে)। তৃতীয় স্থানে আছেন নরওয়ের থেলো আসগার্ড, যিনি ফ্রান্সের বিপক্ষে ১২৫.৯৫ কিমি/ঘন্টা গতিতে গোল করেন। চতুর্থ স্থানে কেপ ভার্দের কেভিন পিনা, যার উরুগুয়ের বিপক্ষে ৩১ গজের বেশি দূর থেকে নেওয়া শটের গতি ছিল ১২৫.২২ কিমি/ঘন্টা—এটি তার দেশের ইতিহাসে বিশ্বকাপে প্রথম গোল।
গ্রুপ পর্বে আধিপত্য
শেষ ষোলোর আগে শীর্ষ দশের মধ্যে নয়টি গোলই গ্রুপ পর্বে করা। নকআউট পর্ব থেকে জায়গা পাওয়া একমাত্র গোলটি করেন মিসরের মোহামেদ সাবের, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে। ফিফা ও অ্যাডিডাস এই প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ অব্যাহত রেখেছে।



