গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩–০ গোলের সহজ জয় পেয়েছে ব্রাজিল। এই জয়ে দুটি গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং একটি গোল করেছেন মাতেউস কুনিয়া। এই ম্যাচ দিয়েই প্রায় তিন বছর পর ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছেন নেইমার।
আলিসন ও ডিফেন্সের দৃঢ়তা
গোলরক্ষক আলিসন (৭/১০) ম্যাচের বেশির ভাগ সময় দর্শক হয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে তিনি পরপর দুটি দারুণ সেভ করেন। ডান পাশের ডিফেন্ডার দানিলো (৬/১০) খুব একটা পরীক্ষার মুখে পড়েননি। দ্বিতীয়ার্ধে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন, কিন্তু লাল কার্ড এড়িয়ে যান ভাগ্যক্রমে।
মার্কিনিওস (৬/১০) স্কটল্যান্ডের ধারহীন আক্রমণভাগের কারণে তাঁর রাতটা বেশ সহজই কাটিয়েছেন। পাসিং ছিল ভালো। গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস (৭/১০) ম্যাচের শুরুতেই একটি বড় আক্রমণ আটকে দেন। ব্যক্তিগত লড়াইয়ে আধিপত্য দেখিয়েছেন এবং সফল পাস দিয়েছেন বেশ কিছু। বাম পাশের ডগলাস সান্তোস (৬/১০) বেন গ্যানন–ডোকের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়লেও আক্রমণে ভালো সহায়তা করেছেন।
মিডফিল্ডের ভূমিকা
ব্রুনো গিমারাইস (৮/১০) ম্যাচের সেরা পারফরমারদের একজন। তাঁর নিখুঁত ক্রস থেকে এসেছে ভিনিসিয়ুসের দ্বিতীয় গোল। কুনিয়ার গোলের পেছনেও তাঁর দারুণ বুদ্ধিমত্তার অ্যাসিস্ট ছিল। কাসেমিরো (৭/১০) ব্রাজিলের ডি-বক্সের ভেতরে চমৎকার একটি ট্যাকল করেছেন এবং একটি নিখুঁত থ্রু বল দিয়ে তৃতীয় গোলের পেছনে ভূমিকা রাখেন। লুকাস পাকেতা (৭/১০) রক্ষণে বেশ পরিশ্রম করেছেন এবং ভিনিসিয়ুসের হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। রায়ান (৭/১০) দারুণ বুদ্ধিমত্তায় স্কট ম্যাকেনা ব্লক করে একটি চমৎকার অ্যাসিস্ট করেন। বল পাওয়ার পর প্রতিটি মুহূর্তেই তিনি প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন।
আক্রমণভাগের পারফরম্যান্স
মাতেউস কুনিয়া (৭/১০) প্রথমার্ধের শেষের দিকে জ্বলে ওঠেন। সেই সময় গোল না পেলেও পরে একটি সহজ ফিনিশিংয়ে নিজের গোলটি তুলে নেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (৮/১০) শুরুতে সুযোগ পেয়ে ঠান্ডা মাথায় গোলকিপারকে কাটিয়ে গোল করেন। ভিএআরের কারণে একটি গোল বাতিল হলেও পরে দুর্দান্ত হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল পান। হ্যাটট্রিকের সুযোগ ছিল, তবে তা কাজে লাগাতে পারেননি।
নেইমারের প্রত্যাবর্তন
নেইমার (৫/১০) ১৪ মিনিট মাঠে থেকে বলে স্পর্শ করেছেন ২৪ বার। তিনি তিনটি সুযোগ তৈরি করেছেন এবং একটি শটও নিয়েছেন। তবে ৯৮১ দিন পর মাঠে ফেরা নেইমারের খেলায় আগের মতো গতিশীলতা দেখা যায়নি। স্কটল্যান্ডের ধারহীন আক্রমণের কারণে ব্রাজিল আজ কোনো গোল হজম করেনি।



