কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে মরক্কো। তবে এই বিদায়েও বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কার নিশ্চিত হয়েছে দলটির জন্য। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কাছে হেরে বিদায় নিতে হলো আফ্রিকার এই দলকে।
মরক্কোর প্রাপ্তি ও ফিফার বর্ধিত বাজেট
চলতি বিশ্বকাপের আগে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছিল ফিফা কাউন্সিল। এতে চ্যাম্পিয়ন দল যেমন বেশি অর্থ পাবে, তেমনি প্রাথমিক পর্বে বাদ পড়া দলগুলোও আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাবে। কোয়ার্টার ফাইনালে হারায় শীর্ষ আট দলের মধ্যে থাকা নিশ্চিত হয়েছে মরক্কোর। এই সাফল্যের জন্য মরক্কো ফুটবল ফেডারেশন পাবে ১৯ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া প্রস্তুতি খরচ বাবদ প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দলকে দেড় মিলিয়ন ডলার করে বোনাস দেয় ফিফা।
সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়ে মোট ২০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার পাবে মরক্কো। এই অর্থ খেলোয়াড়দের মধ্যে কীভাবে ভাগ হবে, তা নির্ভর করবে ফেডারেশনের সিদ্ধান্তের ওপর।
আগের বিশ্বকাপের তুলনায় প্রাপ্তি
২০২২ বিশ্বকাপে চতুর্থ হয়েছিল মরক্কো। সেবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ১-২ গোলে হেরেছিল দলটি। সেই আসরে মরক্কো পেয়েছিল ২৫ মিলিয়ন ডলার। কাতার বিশ্বকাপে মোট পুরস্কারের অর্থ ছিল ৪৪০ মিলিয়ন ডলার। এবার একটি ম্যাচ কম খেলেও মাত্র সাড়ে চার মিলিয়ন ডলার কম পাচ্ছে মরক্কো। ২০২২ সালে সাতটি ম্যাচ খেলেছিল দলটি, এবার খেলেছে ছয়টি।
উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপে মোট পুরস্কারের অর্থ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫৫ মিলিয়ন ডলারে। ২০২২ বিশ্বকাপের তুলনায় যা প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। অথচ সেই আসরও ছিল রেকর্ড গড়া এক আসর।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব
তবে এসব নিয়ে এখন ভাবছে না মরক্কো। ২০৩০ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হওয়ায় সরাসরি সেই আসরে জায়গা পেয়ে গেছে দলটি। আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশিদূর যাওয়ার রেকর্ড আগে থেকেই আছে মরক্কোর। এবার তাদের লক্ষ্য আরও বড় কিছু।
১৯৩০ সাল থেকে শুরু হওয়া বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনো কোনো আফ্রিকান দল চ্যাম্পিয়ন হয়নি। নিজেদের মাটিতে হতে যাওয়া ২০৩০ বিশ্বকাপে সেই ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে মরক্কো।



