নতুন প্রজন্মকে নিয়ে আশাবাদী লুকাকু, বললেন নতুন অধ্যায় শুরু
নতুন প্রজন্মকে নিয়ে আশাবাদী লুকাকু

একসময় বিশ্ব ফুটবলে বেলজিয়ামের ‘গোল্ডেন জেনারেশন’কে অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে ধরা হতো। তবে সেই তারকাবহুল দলটি কখনোই বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের নিয়ে আশাবাদী বেলজিয়ামের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা রোমেলো লুকাকু।

২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জনই এখন পর্যন্ত বেলজিয়ামের সেরা সাফল্য, যেখানে লুকাকু, কেভিন ডি ব্রুইনা ও থিব কর্তোয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ইডেন হ্যাজার্ড ও ভিনসেন্ট কোম্পানি এখন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন।

নতুন অধ্যায়ের সূচনা

বিশ্বকাপ শুরুর আগে লুকাকু বলেন, ‘আমাদের জন্য এটি একটি নতুন অধ্যায়। আগের মতো চাপ নেই। বরং আমরা দেখতে চাই তরুণরা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের কীভাবে তুলে ধরে।’ বর্তমান স্কোয়াডে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন একাধিক তরুণ ফুটবলার। লুকাকু মনে করেন, এই তরুণদের নিয়েই ভবিষ্যতের বেলজিয়াম দল গড়ে উঠবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চোটের কারণে মার্চের পর থেকে মাঠের বাইরে আছেন লুকাকু। নাপোলির হয়ে মৌসুমের শেষ অংশেও তিনি খেলতে পারেননি। তবুও বিশ্বকাপ নিয়ে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘এটি আমার চতুর্থ বিশ্বকাপ। তবে এবার প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নতুন প্রজন্মের সঙ্গে খেলতে যাচ্ছি। দলের পরিবেশ খুব ভালো, তাই আমি রোমাঞ্চিত।’

গ্রুপ পর্বের চ্যালেঞ্জ

গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে মিশর, ইরান এবং নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচেই তাদের মুখোমুখি হতে হবে মোহামেদ সালাহর মিশরের। সালাহকে নিয়ে লুকাকু বলেন, ‘সে সবসময় নিজেকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করে। লিভারপুলে তার ক্যারিয়ার অসাধারণ। বহু বছর ধরে ব্যালন ডি’অর পাওয়ার যোগ্য মানের হিসেবে ফুটবল খেলছে। জাতীয় দলের জন্যও সে খুব গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সালাহর মতো শীর্ষ খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলাই আসল চ্যালেঞ্জ। মিশরের বিপক্ষে ম্যাচটা কঠিন হবে, তবে আমরা প্রস্তুত।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রসঙ্গত, বেলজিয়ামের প্রথম ম্যাচ মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬ গ্রুপ জি-তে রাত ১টায় লুমেন ফিল্ড, সিয়াটল, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে।