জয়সওয়ালের সেঞ্চুরি ও কৃষ্ণার পাঁচ উইকেটে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত
জয়সওয়ালের সেঞ্চুরিতে ভারতের কাছে ধবলধোলাই আফগানিস্তান

চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ভারত একতরফা জয় পেয়েছে। বোলিং ও ব্যাটিং—দুই বিভাগেই দারুণ পারফরম্যান্সে সফরকারীদের উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ ৩-০ তে জিতে নিয়েছে তারা। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামলেও আফগানিস্তান ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়ে ২১৮ রানে অলআউট হয়। জবাবে মাত্র ২৮.৪ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

জয়সওয়াল-রোহিতের উদ্বোধনী জুটি

ব্যাটিংয়ে ওপেনার ইয়াসভি জয়সওয়াল ঝড়ো সেঞ্চুরি করেন। তার সঙ্গে ইনিংস শুরু করা রোহিত শর্মাও দারুণ সমর্থন দেন। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন মিলে ১৭০ রান যোগ করেন, যা ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নির্ধারণ করে দেয়। রোহিত শর্মা ৬৯ বলে ৭৯ রান করে আউট হন, ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা।

জয়সওয়াল ওয়ানডেতে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন এবং শেষ পর্যন্ত ৮৬ বলে ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও ৩টি ছক্কা। শেষ দিকে শ্রেয়াস আইয়ার ২০ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। ভারত ম্যাচটি জেতে ১২৮ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়া আফগানিস্তান শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। ভারতীয় পেসার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার গতিময় ও সুইংভিত্তিক বোলিংয়ে তারা চাপে পড়ে যায়। প্রথম স্পেলেই তিনি তুলে নেন ৪ উইকেট। ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ (৫), ইব্রাহিম জাদরান (১১), রহমত শাহ (৫) এবং দারউইস রাসুলি (১) দ্রুত ফিরে যান।

পঞ্চম উইকেটে আজমতউল্লাহ ওমারজাই ও অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদির ১০৫ রানের জুটি আফগানিস্তানকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। তবে জুটি ভাঙার পর আবারও ধস নামে তাদের ইনিংসে। আজমতউল্লাহ ৫০ রানে আউট হন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে হাশমতউল্লাহ শাহিদি একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং ওয়ানডেতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তিনি ১৩১ বলে ১০২ রান করে শেষ পর্যন্ত প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার শিকার হন। আফগান অধিনায়কের উইকেট নিয়ে প্রসিদ্ধ নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেটও পূর্ণ করেন। তিনি ম্যাচে ২৩ রানে ৫ উইকেট নেন।

সিরিজ সেরা শুভমান গিল

শেষ পর্যন্ত আফগানিস্তান ২১৮ রানে থেমে যায়। ম্যাচসেরা হন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, আর সিরিজসেরা হন শুভমান গিল, যিনি তিন ম্যাচে মোট ২৩৮ রান করেন।