টরন্টো স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজার পর আইভরিকোস্টের জন্য খারাপ লাগতেই পারে। এর পাশাপাশি গ্যারি লিনেকারের বিখ্যাত ও ক্লিশে হয়ে পড়া উক্তিটিও মনে পড়তে পারে, ‘ফুটবল খুবই সহজ খেলা। ২২ জন মানুষ ৯০ মিনিট ধরে একটি বলের পেছনে ছোটে এবং শেষ পর্যন্ত জার্মানিই সব সময় জেতে।’
ম্যাচের প্রথমার্ধে আইভরিকোস্টের এগিয়ে থাকা
আফ্রিকার দলটি লিনেকারের এই উক্তি টের পেল হাড়ে হাড়ে। ৩০ মিনিটে ফ্রাঙ্ক কেসির গোলে ৬৭ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল আইভরিকোস্ট। কেসি বক্সের ভেতর থেকে গোলটি করেন, যা জার্মানির রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে জার্মানির প্রত্যাবর্তন
কিন্তু ম্যাচে ৬০ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার বদলি নামা ফরোয়ার্ড দেনিজ উনদাভের জোড়া গোলে শেষ পর্যন্ত জার্মানিই ম্যাচটি ২–১ গোলে জিতে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। ৬৮ মিনিটে উনদাভের প্রথম গোলে ম্যাচ সমতায় আসে।
শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা
আমাদ দিয়ালোদের জন্য ব্যাপারটা মর্মান্তিক। কারণ ৬৮ মিনিটে উনদাভের প্রথম গোলে ম্যাচ সমতায় ছিল। ম্যাচটি সেভাবে শেষ হলে এক পয়েন্ট পেতে পারত আইভরিকোস্ট। যোগ করা সময়ের চতুর্থ (৯৪) মিনিটে উনদাভের দ্বিতীয় গোলে সেই আশাও শেষ হয়ে যায় তাদের।
কোচের কৌশল ও বদলি খেলোয়াড়ের ভূমিকা
আইভরিকোস্ট অধিনায়ক কেসির বক্সের ভেতর থেকে করা গোলে পিছিয়ে পড়ে জার্মানি। শেষ পর্যন্ত কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান বদলি খেলোয়াড় নামিয়ে রক্ষা করেন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। উনদাভের বদলি হিসেবে নামা এবং তার জোড়া গোল কোচের সঠিক সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে।



