ইকুয়েডরের ইতিহাস গড়ার আনন্দ: জার্মানিকে হারিয়ে নকআউটে
ইকুয়েডরের ইতিহাস গড়ার আনন্দ: জার্মানিকে হারিয়ে নকআউটে

ইকুয়েডর বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক অনন্য মুহূর্ত তৈরি করেছে। আজ রাতে জার্মানির বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে তারা ২০০৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছেছে। ম্যাচের যোগ করা সময়ে এক কিশোর সমর্থকের কান্না পুরো দলের আবেগকে প্রতিফলিত করেছিল, যা শেষ বাঁশি বাজার পর আনন্দে রূপ নেয়।

ম্যাচের বিবরণ

ম্যাচের শুরুটা ভালো হয়নি ইকুয়েডরের জন্য। লিরয় সানের বাঁকানো শটে ৯ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় জার্মানি। তবে ইকুয়েডর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। নিলসন আনহুলো ৯ মিনিটেই সমতা ফেরান। এরপর দুই দলই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ চালায়। ৭৭ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে পা ছুঁইয়ে গোল করেন গঞ্জালো প্লাতা, যা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।

ইতিহাস গড়া জয়

বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জেতা ইউরোপের বাইরের মাত্র দ্বিতীয় দল হলো ইকুয়েডর। এর আগে জাপান এই কীর্তি গড়েছিল। এছাড়া বিশ্বকাপে জার্মানিকে হারানো লাতিন আমেরিকার চতুর্থ দল এখন ইকুয়েডর, আগে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো এটি করেছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রুপ পর্বের ফলাফল

এই জয়ের পর ‘ই’ গ্রুপে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় সেরা দল হিসেবে নকআউটে উঠেছে ইকুয়েডর। জার্মানি ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে। অপর ম্যাচে আইভরিকোস্ট কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবার নকআউট পর্বে পৌঁছেছে। আইভরিকোস্টের হয়ে জোড়া গোল করেন নিকোলাস পেপে।

উদযাপন ও প্রতিক্রিয়া

ম্যাচ শেষে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়রা মাঠে কান্নায় ভেঙে পড়েন, কেউ হাঁটু গেড়ে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানান, কেউ সতীর্থদের জড়িয়ে ধরে উদ্যাপন করেন। রাজধানী কুইটোতেও শুরু হয়েছে উৎসব। এই জয় ইকুয়েডরের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ