বগুড়ায় কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতি ব্যবহার করে মাছচাষে সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় মৎস্যচাষিরা। বিশেষ করে টেংরা মাছের প্রজনন ও রেনু উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে, যা চাষিদের লাভবান করছে।
হ্যাচারি হাউজে কৃত্রিম প্রজনন প্রক্রিয়া
হ্যাচারি হাউজে মাছের কৃত্রিম প্রজননের জন্য বিভিন্ন ধাপ অনুসরণ করা হয়। প্রথমে হ্যাচারি হাউজ শুকিয়ে টেংরা মাছ ধরা হয়। এরপর মাছগুলো থেকে মা মাছ আলাদা করা হয় এবং ডিমওয়ালা মা মাছগুলো বাছাই করা হয়। মাছের পোনার পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করতে হ্যাচারি হাউজে পানির ফোয়ারা দেওয়া হয়।
হরমোন ইনজেকশন ও প্রজনন
কৃত্রিম প্রজননের জন্য মাছের শরীরে হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। এজন্য প্রথমে সিরিঞ্জ প্রস্তুত করা হয় এবং তারপর মাছের শরীরে কৃত্রিম হরমোন ইনজেক্ট করা হয়। হ্যাচারি হাউজে রাখা মা মাছগুলোকেও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয়।
রেনু উৎপাদন ও পরিচর্যা
কৃত্রিম প্রজননের পর উৎপাদিত রেনু দিনে দিনে বড় হতে থাকে। বাটিতে রেনু উঠিয়ে তাদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করেন হ্যাচারির মালিক। হাপায় পানি দিয়ে রেনুর জন্য অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জানানো হয়, বগুড়ায় এ পদ্ধতিতে মাছচাষে উৎপাদন বাড়ছে এবং চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।



