অভিষেক বিশ্বকাপে রূপকথা লিখে রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে কেপ ভার্দে। এখন তাদের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা—লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। তবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ২০১৯ সালের পর আর কোনো নকআউট ম্যাচই হারেনি।
আর্জেন্টিনার অপরাজেয় নকআউট ধারা
প্রতিপক্ষ হিসেবে দুর্দান্ত ছন্দে আছে আর্জেন্টিনা। সবশেষ ২০১৯ কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হেরেছিল তারা। এরপর আর কোনো নকআউট ম্যাচে পরাজয়ের স্বাদ পায়নি লিওনেল স্ক্যালোনির দল। এরপর ২০২১ ও ২০২৩ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ২০২২ বিশ্বকাপও নিজেদের করে নেয় আলবিসেলেস্তেরা। এই শতকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে উঠতে পারা মাত্র তৃতীয় দলও আর্জেন্টিনা।
কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অভিষেক
বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণেই সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে কেপ ভার্দে। স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবকে নিয়ে গঠিত কঠিন গ্রুপে তিনটি ড্র করে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে তারা। ১৯৯৮ সালে চিলির পর প্রথম দল হিসেবে কোনো ম্যাচ না জিতেই গ্রুপ পর্ব পেরিয়েছে তারা। পাশাপাশি ২০১০ সালে স্লোভাকিয়ার পর প্রথম অভিষিক্ত দল হিসেবে এবং ২০০৬ সালে ঘানার পর প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে।
গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান
- ২৯ ম্যাচ খেলে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন লিওনেল মেসির দখলে। আর্জেন্টিনার হয়ে তার আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংখ্যা ২০২।
- বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার শেষ ১৩ ম্যাচের সাতটিই গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে।
- বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ১১টি নকআউট ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে খেলেছে আর্জেন্টিনা।
- অভিষেক বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে ওঠা দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিচের র্যাঙ্কিংয়ের দল কেপ ভার্দে (৬৭)।
- ২০২৬ বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া চার দলের (কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান ও উজবেকিস্তান) মধ্যে একমাত্র কেপ ভার্দেই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে।



