শুটার কলির বিরুদ্ধে শাস্তি: যৌন হয়রানি অভিযোগের পর ফেডারেশনের বহিষ্কার
দেশের শীর্ষস্থানীয় শুটার কামরুন নাহার কলি বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক জি এম হায়দারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে কিছুদিন আগে এক বছরের জন্য বহিষ্কার হয়েছেন। ফেডারেশনের এই অযাচিত শাস্তির বিরুদ্ধে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক দৌলতুজ্জামান খানের কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিকার চেয়েছেন এই শুটার।
অভিযোগ ও তদন্ত প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের কিছু অনিয়ম, দুর্নীতি এবং কর্মকর্তা জিএম হায়দার সাজ্জাদের যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন এই শুটার। তার অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়। পরবর্তীকালে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে আবার ফেডারেশন থেকে কলিসহ একাধিক শুটারকে শাস্তি দেওয়া হয়।
শুটার কলির প্রতিক্রিয়া ও আবেদন
কলি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সত্য প্রকাশ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ফেডারেশন আমার বিরুদ্ধে শাস্তি দিয়েছে। প্রথমে সাময়িক এবং পরে এক বছরের জন্য জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সামনেই এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস এবং অলিম্পিক গেমসের কোটা অর্জনের লড়াই রয়েছে। এসব প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা জরুরি। তাই নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এসেছেন। তার কাছে আবেদন করেছি, যেন আমাকে শাস্তি প্রত্যাহার করে খেলার সুযোগ করে দেন।’’
এই ঘটনায় ক্রীড়া জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কলির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কী পদক্ষেপ নেয়, তা এখন সবার নজরে। শুটার কলির মতো প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদের ক্যারিয়ার রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
