ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ চলাকালে স্কটল্যান্ড ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে দেখা গেছে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো বলে বিবেচিত একটি ফুটবল। প্রায় ৪৮০ বছর পুরোনো এই ঐতিহাসিক বলটি স্কটল্যান্ডের ম্যাচ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে প্রদর্শনের জন্য আনা হয়েছিল।
বলটির ইতিহাস ও উৎস
ঐতিহাসিক নিদর্শনটি তৈরি করা হয়েছিল শূকরের মূত্রথলি দিয়ে। ধারণা করা হয়, এটি ১৫৪০-এর দশকের। অর্থাৎ বলটির বয়স যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠারও অনেক আগে। ১৯৭০-এর দশকে সংস্কার কাজের সময় স্কটল্যান্ডের ঐতিহাসিক স্টার্লিং ক্যাসেলের কুইন্স চেম্বারের একটি কাঠের বিমের পেছনে বলটি পাওয়া যায়। পরে ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে স্কটল্যান্ডের স্টার্লিং স্মিথ আর্ট গ্যালারি অ্যান্ড মিউজিয়ামের সংরক্ষণাগারে এটি পুনরায় খুঁজে পাওয়া যায়। এরপর থেকে সেখানেই প্রদর্শিত হয়ে আসছিল ঐতিহাসিক এই ফুটবল।
বিশ্বকাপে প্রদর্শন ও পরবর্তী পরিকল্পনা
বিশ্বকাপ উপলক্ষে গত সপ্তাহে বলটি যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আনা হয়। তবে মাঠে স্কটল্যান্ড দলের জন্য এটি সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারেনি। মরক্কোর বিপক্ষে ১-০ গোলের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় স্কটিশদের। স্কটল্যান্ডের ম্যাচ শেষে এখন বলটি নেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে। আগামী সপ্তাহে মায়ামির কোরাল গ্যাবলস মিউজিয়ামে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম মূল্যবান নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত এই বলটি খেলাটির কয়েক শতাব্দীর ঐতিহ্য ও বিবর্তনের একটি জীবন্ত সাক্ষী হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্কটল্যান্ডের স্টার্লিং স্মিথ আর্ট গ্যালারি অ্যান্ড মিউজিয়ামের সংরক্ষণাগার থেকে এটি বিশ্বকাপের জন্য ধার নেওয়া হয়েছিল।



