বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের দুর্দান্ত শুরু, শেষে চীনের কাছে ২-০ গোলে হার
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের হার চীনের কাছে ২-০ গোলে

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের শুরুটা দুর্দান্ত, শেষে চীনের কাছে ২-০ গোলে পরাজয়

শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে থাকা চীনের বিপক্ষে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। পিটার বাটলারের শিষ্যরা ম্যাচের ৪৪ মিনিট পর্যন্ত বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের আটকে রেখেছিল, কিন্তু শেষ দিকে এসে তা ধরে রাখতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। জোড়া গোল হজম করে প্রথমার্ধ শেষ করেছে বাংলাদেশ, যা ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচের শুরুর ঘটনাপ্রবাহ

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সিডনির ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে চীন। তারা একের পর এক আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা তা দক্ষতার সাথে আটকে দেন। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বাংলাদেশ প্রায় গোলের দেখা পেয়ে যায়, যখন বাঁ উইং ফাঁকা পেয়ে যান ঋতুপর্ণা চাকমা। তিনি প্রায় মাঝমাঠ থেকে বাঁ পায়ের দুরপাল্লার শট নেন, কিন্তু বলটা বাতাসে ভাসতে ভাসতে গোলপোস্টে ঢোকার ঠিক আগ মুহূর্তে শূন্যে লাফিয়ে ঠেকিয়ে দেন চীনের গোলকিপার চেন চেন।

চীনের গোল ও ভিএআর সিদ্ধান্ত

ম্যাচের ২৪ মিনিটে চীন বাংলাদেশের জালে বল পাঠায়, কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) অফসাইডের কারণে তা বাতিল করে দেন। এরপর ম্যাচের ৪৪ মিনিটে ডেডলক ভাঙে চীন, যখন দুরপাল্লার শটে গোল করলেন চীনের মিডফিল্ডার ওয়াং সুয়াং। মাত্র দুই মিনিট পর, ৪৬ মিনিটে, বক্সের বাইরে থেকে চীনের মিডফিল্ডার ঝ্যাং রুইয়ের নিচু শট বাংলাদেশের ডিফেন্ডার কোহাতি কিসকুর পায়ে লেগে জালে জড়ায়। এতে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চীন, যা ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়।

ম্যাচের সারাংশ ও প্রভাব

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এই ম্যাচে তাদের প্রতিরক্ষা ও আক্রমণে উল্লেখযোগ্য দক্ষতা প্রদর্শন করলেও, শেষ মুহূর্তের গোলগুলো তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পিটার বাটলারের কোচিংয়ের অধীনে দলটি উন্নতি দেখালেও, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়ে অভিজ্ঞতার অভাব কিছুটা প্রকট হয়ে ওঠে। এই পরাজয় দলটির জন্য একটি শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজ করতে পারে, যা ভবিষ্যতের ম্যাচগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে।