বৃহস্পতিবার (৭ মে) ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে একাধিক আবেদন নিয়ে দেখা করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্তা ব্যক্তিরা। বৈঠকে মূলত তিনটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
কোচ নিয়োগে সহায়তা
জাতীয় ফুটবল দলের জন্য বাফুফের পছন্দের কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা অর্থ। সেই বাধা দূর করতে সরকারের দ্বারস্থ হয়েছে বাফুফে। ১০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে কোচ চূড়ান্ত করার শেষ দিনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে দেখা করেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার এবং সহ-সভাপতি ও সরকারি সম্পর্ক কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি।
বৈঠক শেষে আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা যে কোচকে ঠিক করবো, তাদের যে সীমাবদ্ধতার রয়েছে, তা যদি এক্সিড করে তাহলে তারা আমাদের সহযোগিতা চেয়েছে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।’ কোচ নিয়োগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, ‘আমরা এখনও ফাইনাল করিনি, আসলে কাকে নেবো। বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য যে নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে কাজ করছি, সেখানে সম্ভাব্য সেরা যিনি হবেন আমরা যাতে তাকে আনতে পারি।’
নতুন স্টেডিয়ামের দাবি
ঢাকায় দুটি স্টেডিয়াম বাফুফের অধীনে। জাতীয় স্টেডিয়াম ছাড়াও আছে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম। এর সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের স্টেডিয়ামও ফুটবলের জন্য স্থায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এবার পূর্বাচলে ক্রিকেটের নিজস্ব নতুন স্টেডিয়ামের মতো ফুটবলেও দরকার। আজকের সভায় তেমন আলোচনা হয়েছে।
বাফুফে থেকে একটা স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল নিজস্ব, সেটা আসলে কোন জায়গা বা এরকম কোনও প্রস্তাবনা তারা দিয়েছে কিনা প্রশ্নে আমিনুল হক বলেন, ‘সেটা আলোচনা হয়েছে। এটা নিয়ে স্পেসিফিক কোনও প্রস্তাবনা দেওয়া হয়নি। তারা ঢাকার আশেপাশে কয়েকটি ভেন্যুর কথা বলেছে। আমি বলেছি, আপনারা নিজেরা গিয়ে আগে পরিদর্শন করে আসুন, তারপর আমাদের সঙ্গে বসে আলোচনার সাপেক্ষে যেটা ভালো হয়, সেদিকে আমরা সামনের দিকে এগোতে পারবো।’
কক্সবাজার এক্সিলেন্স সেন্টারের জমি
কক্সবাজারে এক্সিলেন্স সেন্টারের জমির জন্য ৮ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। বাফুফে চাইছে তা যেন মওকুফ হয়। তাহলে ফিফার অর্থায়নে প্রজেক্টটি হবে। আমিনুল যদিও বলেছেন, ‘আমরা এটি আলোচনা করেছি। সেটা আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের যে চাওয়া রয়েছে এবং প্রত্যাশা রয়েছে, তা যেন মওকুফ করে দেওয়া যায়।’



