নরওয়ের বিপক্ষে আগামীকাল শনিবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় এক দুঃসংবাদ পেয়েছে ইংলিশরা। মেক্সিকোর বিপক্ষে লাল কার্ড দেখা জারেল কোয়ানসাহর নিষেধাজ্ঞা কমেনি, বরং বেড়ে গেছে। এতে বড় দুশ্চিন্তায় পড়েছে ইংল্যান্ড শিবির।
লাল কার্ডের ঘটনা ও ফিফার শাস্তি
শেষ ষোলোর ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে হেসুস গায়ার্দোকে ট্যাকল করেন কোয়ানসাহ। এই ফাউলকে গুরুতর বিবেচনা করে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় তাকে। সাধারণত এমন লাল কার্ডে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা হয়ে থাকে। তবে এবার কড়া শাস্তি দিয়েছে ফিফা। লাল কার্ড বাতিলের জন্য ইংল্যান্ডের আবেদন সত্ত্বেও দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সংস্থাটি। এতে নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সম্ভাব্য সেমিফাইনাল, দুই ম্যাচেই খেলতে পারবেন না কোয়ানসাহ।
ইংল্যান্ডের রাইট-ব্যাক সংকট
কোয়ানসাহর অনুপস্থিতিতে নরওয়ের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলে বড় সমস্যায় পড়েছেন কোচ টমাস টুখেল। বিশেষ করে রাইট-ব্যাক পজিশন নিয়ে বেশ চিন্তায় আছেন তিনি। হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে ছিটকে গেছেন রিস জেমস। পুরো বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেছেন টিনো লিভরামেন্তো। কোয়ানসাহর লাল কার্ডের পর ম্যাচের মধ্যেই রাইট সাইড সামলাতে জন স্টোনস ও এজরি কনসাকে পজিশন বদল করতে হয়েছিল। এখন নরওয়ের বিপক্ষে এবং সম্ভাব্য সেমিফাইনালেও রাইট-ব্যাক হিসেবে খেলার জন্য প্রস্তুত আছেন জেড স্পেন্স।
নিষেধাজ্ঞার শর্ত ও ইংল্যান্ডের লক্ষ্য
ফাইনালে খেলতে অবশ্য কোনো বাধা নেই কোয়ানসাহর। তার দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং সম্ভাব্য সেমিফাইনাল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। তবে নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ড হেরে গেলে, নিষেধাজ্ঞার বাকি অংশ কার্যকর হবে তাদের পরবর্তী অফিসিয়াল ম্যাচে। তবে ইংল্যান্ডের লক্ষ্য আরও তিনটি ম্যাচ খেলা, যার শেষটি হবে আগামী ১৯ জুলাই রোববার বিশ্বকাপ ফাইনাল।



