২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। ম্যাচের ১৪তম মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছিল ব্রাজিল। সবাই ভেবেছিলেন শটটি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র নেবেন, কিন্তু তিনি বল তুলে দেন ব্রুনো গিমারাইসের হাতে। গিমারাইস তার পুরো ক্যারিয়ারে মাত্র তিনটি পেনাল্টি নিয়েছিলেন, সব কটিতেই গোল করলেও ব্রাজিলের জার্সিতে এটি ছিল তার প্রথম পেনাল্টি শট। শেষ পর্যন্ত তিনি গোল করতে ব্যর্থ হন।
পেনাল্টি মিসের ইতিহাস
গিমারাইসের আগে বিশ্বকাপে ব্রাজিল সর্বশেষ পেনাল্টি (টাইব্রেকার বাদে) থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয় ১৯৮৬ আসরে ফ্রান্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেদিন জিকো পেনাল্টি মিস করেছিলেন। এরপর ব্রাজিল বিশ্বকাপে ছয়টি পেনাল্টি পেয়েছিল—১৯৯৪ সালে রাই, রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনিও ও নেইমাররা কখনো ব্যর্থ হননি। গিমারাইসের ব্যর্থতায় রেকর্ড বইয়ে নতুন নাম যোগ হলো।
নকআউট ম্যাচে দুটি পেনাল্টি পেয়েও বিদায়
বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে দুটি পেনাল্টি পেয়েও বিদায় নেওয়া চতুর্থ দল ব্রাজিল। এর আগে ২০০২ সালে আয়ারল্যান্ড, ২০২২ সালে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স এই তালিকায় ছিল। ম্যাচে ব্রাজিল দুটি পেনাল্টি পেলেও গিমারাইসের স্পটকিক থেকে গোল পায়নি। নরওয়ের গোলকিপার নিলান্ড দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ব্রাজিলের আক্রমণ প্রতিহত করেন।
কোচের সিদ্ধান্ত ও সমালোচনা
ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি সম্ভবত গিমারাইসকে পেনাল্টি নিতে দিতেন না যদি ইতিহাস মনে রাখতেন। বিশ্বকাপে নকআউট ম্যাচে (টাইব্রেকার বাদে) আগের তিনবার পেনাল্টি মিস করে দুবারই বাদ পড়েছে ব্রাজিল। ১৯৩৪ সালে স্পেনের বিপক্ষে ব্রিতো, ১৯৩৮ সালে সুইডেনের বিপক্ষে (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জিতলেও), এবং ১৯৮৬ সালে জিকো পেনাল্টি মিস করেন। এবার চতুর্থ দফায় ব্রাজিলের আরও সাবধান থাকা উচিত ছিল।



