বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ: মনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণে মনিরের যাবজ্জীবন

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এই রায় ঘোষণা করেন।

দ্রুত বিচার ও রায়

ঘটনার মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে রায় এলো। মামলার সাক্ষ্য, আসামির জবানবন্দি ও যুক্তিতর্ক পাঁচ কার্যদিবসে শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ জানান, মনিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন ও জরিমানা করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ

গত ২১ মে বিকেলে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মনিরকে আটক করে। তবে তাকে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয়রা বাধা দেয়। দুই ঘণ্টা চেষ্টার পরও পুলিশ তাকে সরাতে না পেরে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। এতে বাকলিয়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, একটি পুলিশের ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়। কমপক্ষে ৪০ জন আহত হন, যার মধ্যে সাংবাদিকরাও ছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিশুটিকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নেওয়া হয়। তার বাবা বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। ২২ মে মনির চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্ত ও অভিযোগ

দুই সপ্তাহের তদন্ত শেষে ৪ জুন বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মনিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। মোট ২২ জনকে সাক্ষী করা হয়। ৯ জুন বিচারক ঝুমা অভিযোগ গঠন করেন এবং পরদিন থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

মনির কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘাড়ঘাটা এলাকার বাসিন্দা। চট্টগ্রামে তিনি বাকলিয়ার মিয়া খান নগরে থাকতেন এবং চেয়ারম্যান ঘাটার কাছে একটি সাজসজ্জার দোকানে কাজ করতেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ