টি-টোয়েন্টি সিরিজে টিকে থাকার মিশনে দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন ও তাওহিদ হৃদয়ের লড়াকু ব্যাটিংও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারেনি। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৭ রানে হেরে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হাতছাড়া করেছে টাইগাররা।
ম্যাচের সারসংক্ষেপ
চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে বাংলাদেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮৯ রান তুলতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের ইনিংস
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশ দারুণ সূচনা পায় দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসানের ব্যাটে। প্রথম তিন ওভারেই তারা তুলে নেন ৪২ রান। পাওয়ার প্লে শেষে টাইগারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৭২ রান। তানজিদ ১৫ বলে ৩০ রান করে ফিরলেও সাইফ ইনিংসের হাল ধরে রাখেন। ৩৩ বলে ৪২ রানের ইনিংসে দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি। সৌম্য সরকারও শুরুটা ভালো করেছিলেন, তবে ৯ বলে ১৫ রান করেই সাজঘরে ফেরেন।
মাঝের ওভারগুলোতে পারভেজ হোসেন ইমন আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন বাংলাদেশকে। তার ব্যাটে প্রয়োজনীয় রানরেট একসময় ৯-এর ঘরে নেমে আসে। তবে ইমন আউট হয়ে গেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবারও অস্ট্রেলিয়ার হাতে চলে যায়। শেষ দিকে তাওহিদ হৃদয় ও শামীম হোসেন পাটোয়ারীর ওপর বড় দায়িত্ব থাকলেও তারা প্রত্যাশামতো ঝড় তুলতে পারেননি। হৃদয় ২২ বলে ৩৫ রান করেন, আর শামীমের ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ৭ রান।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৪ রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ম্যাট রেনশো ও টিম ডেভিড। টিম ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও চারটি ছক্কা। অন্যদিকে ম্যাট রেনশো ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান। তিনি ৫২ বলে চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ৮৯ রান করেন।
বোলিং পারফরম্যান্স
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম আহমেদই ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। তবে অন্য বোলাররা কেউই অজিদের চাপে ফেলতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অ্যারন হার্ডি চার ওভারে ৪০ রান খরচায় দুটি উইকেট শিকার করেন।
এই হারের ফলে টাইগাররা এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হাতছাড়া করেছে।



