টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিক্সিং অভিযোগ: কানাডার ম্যাচে আইসিসির তদন্ত শুরু
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিক্সিং অভিযোগ, আইসিসি তদন্তে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিক্সিং অভিযোগ: কানাডার ম্যাচে আইসিসির তদন্ত শুরু

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচে ফিক্সিং বা খেলা নির্ধারণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কানাডা দলের একটি ম্যাচ, যার ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাদের দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট (এসিইউ) এর মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি, ক্রিকেট কানাডার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যা ক্রিকেট বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

তথ্যচিত্রের মাধ্যমে অভিযোগের সূত্রপাত

কানাডার সরকারি সম্প্রচার সংস্থা সিবিসি গত ১০ এপ্রিল একটি ৪৩ মিনিটের তথ্যচিত্র প্রচার করে, যার শিরোনাম ছিল 'করাপশন, ক্রাইম অ্যান্ড ক্রিকেট'। এই তথ্যচিত্রে ক্রিকেট কানাডার পরিচালনা ও কার্যক্রম নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়, যা সরাসরি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের সাথে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্যচিত্র প্রচারের পরপরই আইসিসির এসিইউ ইউনিট তদন্তে নামে, যাতে ক্রিকেটের সততা ও ন্যায্যতা রক্ষা করা যায়।

কোন ম্যাচে সন্দেহ?

যে ম্যাচটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, সেটি হলো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে কানাডার গ্রুপ পর্বের ম্যাচ। বিশেষভাবে নজর দেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের রান তাড়ার পঞ্চম ওভারের দিকে। এই ওভারটি করেছিলেন কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়া, যিনি টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র তিন সপ্তাহ আগে অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। বাজওয়া ওই ওভারে নো-বল ও ওয়াইড দিয়ে শুরু করেন এবং মোট ১৫ রান দেন, যা নিউজিল্যান্ডকে ১৭৪ রানের লক্ষ্য মাত্র ১৫.১ ওভারে আট উইকেট হাতে রেখে সহজেই পূরণ করতে সাহায্য করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইসিসির প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত প্রক্রিয়া

অভিযোগের বিষয়ে আইসিসি ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ মন্তব্য করেছেন যে, এসিইউ এই তথ্যচিত্র সম্পর্কে অবগত আছে, তবে নির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আইসিসির সদস্যদের পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়গুলো সংস্থার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হয় এবং এসিইউ তথ্য সংগ্রহ, প্রতিরোধ, শিক্ষা ও তদন্তের মাধ্যমে ক্রিকেটের সততা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই তদন্তের ফলাফল ভবিষ্যতে ক্রিকেটের শৃঙ্খলা ও বিশ্বাস পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।