ঈদের পরদিনে কোচ ওয়াহিদুল গনির বাসায় মিলিত হন আশরাফুলসহ অঙ্কুর পরিবারের সদস্যরা
আশরাফুল ও অঙ্কুর পরিবারের ঈদ মিলন ওয়াহিদুল গনির বাসায়

ক্রিকেটের বন্ধনে ঈদের মিলন: আশরাফুল ও অঙ্কুর পরিবারের ২৯ বছরের ঐতিহ্য

ক্রিকেট জগতে কোচ ওয়াহিদুল গনির সঙ্গে মোহাম্মদ আশরাফুলের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও গভীর। এই সম্পর্কের শুরুটাই হয়েছিল ওয়াহিদুল গনির হাত ধরেই, যিনি শুধু আশরাফুল নন, অসংখ্য ক্রিকেটারকে গড়ে তুলেছেন তার দক্ষ পরিচালনায়। নীরবে ও নিষ্ঠার সাথে ক্রিকেটের সেবা করে চলেছেন এই সাবেক ক্রিকেটার, আর তার প্রতি গুরু দক্ষিণা প্রদান করতে ঈদের পরদিনটি বেছে নিয়েছেন আশরাফুলসহ তার শিষ্যরা।

২৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী আয়োজন

প্রতি বছর ঈদের পরের দিন ওয়াহিদুল গনির বাসায় একত্রিত হয়ে উৎসব পালন করেন অঙ্কুর পরিবারের সদস্যরা। এই আয়োজনটি টানা ২৯ বছর ধরে চলে আসছে, যা তাদের মধ্যে একটি অটুট ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই মিলনমেলার ছবি ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তিনি লিখেছেন, 'গেট টুগেদার উইথ অঙ্কুর ক্রিকেটারস, ওয়াহিদুল গনি স্যারের বাসায়— যেখানে টানা ২৯ বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছি আমরা। প্রতি বছর ঈদের পরের দিন একসাথে হওয়া, স্যারের বাসায় লাঞ্চ করা আর স্মৃতিগুলো নতুন করে বাঁচানো— এটাই আমাদের অঙ্কুর পরিবারের সবচেয়ে বড় আনন্দ।'

ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে বিশেষ আয়োজন

এই বছর আয়োজনটি আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে জাতীয় দলের বর্তমান খেলোয়াড় রাকিবুল হাসান ও বিপ্লব হোসেনের উপস্থিতিতে। তাদের সঙ্গে ছিলেন জনপ্রিয় ক্রিকেট কমেন্টেটর অমি। আশরাফুল তার পোস্টে যোগ করেন, 'এই আয়োজনকে আরও বিশেষ করে তুলেছে জাতীয় দলের বর্তমান খেলোয়াড় রাকিবুল ও বিপ্লব, সঙ্গে ছিলেন প্রিয় কমেন্টেটর অমি। ক্রিকেট, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার এই বন্ধন যেন এমনই অটুট থাকে আরও অনেক বছর।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওয়াহিদুল গনির বাসায় এই মিলনমেলা শুধু একটি সামাজিক অনুষ্ঠান নয়, বরং ক্রিকেটের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্কের এক জীবন্ত উদাহরণ। এখানে ক্রিকেটাররা তাদের কোচের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি পুরনো স্মৃতিগুলোকে সজীব রাখেন। এই আয়োজনটি ক্রিকেট সম্প্রদায়ের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্মান ও ঐক্যের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।

অঙ্কুর পরিবারের এই ঐতিহ্যবাহী মিলন ক্রিকেট জগতে একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে, যা ক্রীড়া ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। আশা করা যায়, ভবিষ্যতেও এই বন্ধন অক্ষুণ্ণ থাকবে এবং নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের অনুপ্রাণিত করবে।